অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ রহিত করে ২০০৯ সালের পুরনো আইনটি পুনঃপ্রচলনের বিল জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১২তম দিনে বিরোধী দলের সদস্যদের আপত্তির মুখে বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হয়।
বিলটি উত্থাপনের বিরোধিতা করে কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ কড়া সমালোচনা করেন। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, ২০২৫ সালের নতুন অধ্যাদেশটি বাতিল করে ২০০৯ সালের আইন ফিরিয়ে আনলে মানবাধিকার কমিশনকে আবারও রাজনৈতিক দমন-পীড়নের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার সুযোগ তৈরি হতে পারে।
হাসনাত আবদুল্লাহর আপত্তির জবাবে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আরও বিস্তারিত পরামর্শ ও যাচাই-বাছাই করার প্রয়োজন রয়েছে। কমিশনের কার্যক্রমে যেন কোনো শূন্যতা তৈরি না হয়, সেই কারণেই আপাতত ২০০৯ সালের আইনটি ফিরিয়ে আনা হয়েছে। তিনি বিরোধিতাকারীদের বক্তব্যকে রাজপথের বক্তৃতার সঙ্গে তুলনা করে বিলটি মনোযোগ দিয়ে পড়ার পরামর্শ দেন।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ ডিসেম্বর অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে করা ২০০৯ সালের মূল আইনটি সংশোধন করে একটি অধ্যাদেশ জারি করেছিল। বর্তমান সংসদীয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সেই অধ্যাদেশটি রহিত করে পুরনো আইনি কাঠামোতে ফিরে গেল মানবাধিকার কমিশন।
