গ্রীষ্মের তীব্র দাবদাহের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে নিত্যপণ্যের দাম। চাল, ডাল, তেল ও সবজিসহ প্রায় প্রতিটি পণ্যের দাম এখন সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। বাজারে সরু চালের কেজি ৮৫ টাকা এবং মোটা চাল ৬০ টাকায় ঠেকেছে। কোনো সবজিই এখন ৮০ টাকার নিচে পাওয়া যাচ্ছে না, যার ফলে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো দৈনন্দিন বাজারের হিসাব মেলাতে হিমশিম খাচ্ছে।
সবজির বাজারে উত্তাপ সবচেয়ে বেশি। মানভেদে বেগুনের কেজি ১০০-১২০ টাকা এবং করলা ১৪০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। মাছ-মাংসের বাজারেও একই অস্থিরতা বিরাজমান। ব্রয়লার মুরগি ১৯০ টাকা এবং গরুর মাংস ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এমনকি মাছের বাজারেও সাধারণ মানের মাছ কিনতে ক্রেতাদের আগের চেয়ে অনেক বেশি টাকা গুনতে হচ্ছে।
মুদি পণ্যের বাজারেও স্বস্তি নেই। বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে এবং খোলা সয়াবিন তেল লিটারপ্রতি ২১০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। সাধারণ ক্রেতারা বলছেন, আয়ের সঙ্গে ব্যয়ের কোনো মিল না থাকায় তাদের খাবারের তালিকা ছোট করতে হচ্ছে। অনেক পরিবার এখন দুবেলার খাবার জোগাড় করতেই মানসিক যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।
কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) মতে, একশ্রেণির ব্যবসায়ী কারসাজি করে দাম বাড়ালেও সরকারের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো স্থায়ী পদক্ষেপ নেই। যদিও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর দাবি করেছে যে, বাজার তদারকি ও অভিযান নিয়মিত চলছে। তবে সাধারণ ভোক্তাদের অভিযোগ, এসব অভিযানে বাজারের অস্থিরতা কমছে না বরং দিন দিন জীবনযাত্রার ব্যয় অসহনীয় হয়ে উঠছে।







