জুলাইয়ের আন্দোলনে অংশ নিতে গিয়ে নিখোঁজ হন মো. সোহেল রানা। দীর্ঘ খোঁজাখুঁজির পর হাসপাতাল, মর্গ, থানা ও কারাগারে তার কোনো সন্ধান না মেলায় শেষ পর্যন্ত বেওয়ারিশ লাশের তালিকায় তার নাম পাওয়া যায় বলে জানিয়েছে পরিবার।
পরিবারের অভিযোগ, তাকে হত্যার পর পরিচয়হীন হিসেবে দাফন করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে ছেলের খোঁজে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়ান তার মা। প্রায়ই তিনি রায়েরবাজার কবরস্থানে গিয়ে সম্ভাব্য কবরগুলোর পাশে দাঁড়িয়ে ছেলের চিহ্ন খুঁজে বেড়াতেন।
প্রায় দেড় বছর পর একাধিক কবরের ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে পরিচয় শনাক্তের প্রক্রিয়ায় সোহেল রানার কবর চিহ্নিত হয় বলে জানা গেছে। এতে পরিবারের দীর্ঘ অনিশ্চয়তার অবসান ঘটে।
ছেলের কবর শনাক্ত হওয়ার পর সেখানে গিয়ে তার মা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তিনি ছেলের স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে একটি গামছা কবরের পাশে রেখে কিছুক্ষণ নীরবে অবস্থান করেন। ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আবেগের সৃষ্টি করেছে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনো জানা যায়নি।
