মসজিদুল হারামে প্রবেশ করে যখন প্রথমবার কাবা শরিফ চোখে পড়বে, তখন একটি বিশেষ দোয়া পড়ার আমল রয়েছে। দোয়াটি হলো—
اللهمَّ زِدْ هذا البيتَ تشريفًا وتعظيمًا وتكريمًا ومهابَةً وزِدْ مِن شرَفِهِ وعِظَمِهِ مِمَنْ حجَّهُ أو اعتَمرَهُ تشريفًا وتكريمًا وتعظيمًا ومهابَةً وبِرًا
উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা যিদ হাযাল বাইতা তাশরীফান ওয়া তা‘যীমান ওয়া তাকরীমান ওয়া মাহাবাতান; ওয়া যিদ মিন শারাফিহি ওয়া ই‘যামিহি মিম্মান হাজ্জাহু আও ই‘তামারাহু তাশরীফান ওয়া তাকরীমান ওয়া তা‘যীমান ওয়া মাহাবাতান ওয়া বিররান।
অর্থ:
হে আল্লাহ! এই পবিত্র ঘরকে আরও বেশি সম্মান, মর্যাদা, মহিমা ও ভক্তিভরে পরিপূর্ণ করুন। আর যারা হজ বা উমরা পালন করে, তাদের মাধ্যমে এই ঘরের মর্যাদা বৃদ্ধি করুন এবং তাদেরকেও সম্মান, মহিমা ও নেকির দ্বারা মর্যাদাবান করুন।
তাবেঈ মাকহুল (রহ.) থেকে বর্ণিত আছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) কাবা শরিফ দর্শনের সময় এ দোয়া পাঠ করতেন (ইবনে হাজার, তালখিসুল হাবীর)।
তাওয়াফের সময় করণীয় দোয়া
কাবা তাওয়াফের সময় নির্দিষ্ট কোনো বাধ্যতামূলক দোয়া নেই। যে কোনো দোয়া, জিকির বা কোরআনের আয়াত পাঠ করা যায়। তবে কিছু সুন্নত আমল রয়েছে—
- তাওয়াফ শুরুতে এবং প্রতি চক্করের শুরুতে হাজরে আসওয়াদের দিকে তাকিয়ে “আল্লাহু আকবার” বলা সুন্নত।
- সহিহ বুখারির বর্ণনায় আছে, নবী (সা.) উটের পিঠে তাওয়াফ করার সময় হাজরে আসওয়াদের কাছে এলে ইশারা করে তাকবির দিতেন।
রুকনে ইয়ামানি থেকে হাজরে আসওয়াদের দিকে যাওয়ার সময় নিম্নের কোরআনের দোয়াটি পড়া উত্তম—
رَبَّنَاۤ اٰتِنَا فِی الدُّنۡیَا حَسَنَۃً وَّ فِی الۡاٰخِرَۃِ حَسَنَۃً وَّ قِنَا عَذَابَ النَّارِ
উচ্চারণ:
রাব্বানা আতিনা ফিদ্দুনিয়া হাসানাহ, ওয়া ফিল আখিরাতি হাসানাহ, ওয়া ক্বিনা আযাবান নার।
অর্থ:
হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের দুনিয়ায় কল্যাণ দান করুন, আখিরাতেও কল্যাণ দান করুন এবং জাহান্নামের শাস্তি থেকে আমাদের রক্ষা করুন। (সুরা বাকারা: ২০১)
এ ছাড়া তাওয়াফের সময় যে কোনো অর্থবোধক দোয়া, জিকির বা কোরআনের আয়াত পাঠ করা সম্পূর্ণ বৈধ ও ফজিলতপূর্ণ।
