ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থায়ী বহিষ্কারসহ তিন দফা দাবি জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (ডুজা)। সমিতি স্পষ্ট করেছে যে, এই দাবির বিষয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় সাংবাদিকদের ওপর এই নগ্ন হামলার প্রতিবাদে বর্তমানে ক্যাম্পাসে উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
তদন্ত ও প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্যের ভিত্তিতে হামলায় জড়িত অর্ধশতাধিক ছাত্রদল নেতাকর্মীকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই হামলায় নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল ছাত্রদলের আহ্বায়ক আবুজার গিফারী ইফাদের বিরুদ্ধে। তাঁর সঙ্গে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন ঢাবি ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইমাম আল নাসের মিশুক এবং মুহসীন হল ছাত্রদলের সদস্য সচিব মনসুর রাফি।
হামলায় আরও অংশ নিয়েছেন শহীদুল্লাহ্ হলের জুনায়েদ আবরার, বিজয় একাত্তর হলের সুলায়মান হোসেন রবি, সাবেক ভিপি পদপ্রার্থী সাজ্জাদ হোসেন ও সায়িদ হাসান সাদ। এছাড়া সূর্য সেন হলের মনোয়ার হোসেন প্রান্ত, জিয়া হলের কারিব চৌধুরী ও জাহিন ফেরদৌস জামি, বঙ্গবন্ধু হলের মমিতুর রহমান পিয়াল এবং জহুরুল হক হলের সানিন সায়েদসহ ছাত্রদলের বিভিন্ন হলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা এই তান্ডবে সরাসরি যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন, চিহ্নিত এই হামলাকারীদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ এখন সময়ের দাবি। তাঁরা প্রশাসনের নির্লিপ্ততার সমালোচনা করে বলেন, সচিত্র প্রমাণ থাকার পরেও ব্যবস্থা নিতে দেরি হওয়া কাম্য নয়। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত সাংবাদিকরা তাঁদের অবস্থানে অনড় থাকবেন এবং ছাত্রদলের সব ধরনের সংবাদ সংগ্রহ বর্জন অব্যাহত রাখবেন।
