বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক কর্মপরিষদ সদস্য ও ফরিদপুর অঞ্চলের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসেনের জানাজা শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টায় ফরিদপুরের পশ্চিম খাবাসপুর শামসুল উলুম মাদরাসা মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। পরে তাকে আলীপুর কবরস্থানে দাফন করা হয়।
জানাজার আগে বক্তব্যে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ফরিদপুর অঞ্চল পরিচালক ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আজাদ সবাইকে আত্মসমালোচনার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আমাদের জীবন কি আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে পরিচালিত হচ্ছে—সেটি ভেবে দেখা জরুরি।
অন্যান্য বক্তারা মরহুম দেলোয়ার হোসেনকে একজন ত্যাগী, পরিশ্রমী ও বিনয়ী ইসলামী ব্যক্তিত্ব হিসেবে উল্লেখ করেন। তারা বলেন, তিনি আজীবন ইসলামী আন্দোলনের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করেছেন এবং সমাজে ন্যায়ভিত্তিক পরিবর্তন আনার জন্য কাজ করেছেন।
বক্তারা আরও বলেন, তার মৃত্যুতে দেশ একজন আদর্শবান, নিবেদিতপ্রাণ ও সংগ্রামী ব্যক্তিত্বকে হারিয়েছে। মানুষের প্রতি ভালোবাসা, সংগঠনের প্রতি দায়বদ্ধতা এবং ন্যায় প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার তাকে অনন্য করে তুলেছিল।
জানাজায় বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব অংশ নেন। তাদের মধ্যে ছিলেন প্রফেসর আব্দুত তাওয়াব, শামসুল ইসলাম আল বরাটী, মাওলানা মোখলেসুর রহমান, অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম, অধ্যক্ষ আব্দুর রব হাশেমী, অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম, অধ্যাপক এম এ সামাদ, এ এফ এম কাইয়ুম, সৈয়দ জুলফিকার হোসেন জুয়েলসহ অনেকে। পরিবারের পক্ষ থেকে মরহুমের বড় ছেলে মো. জোবায়ের হোসেন বক্তব্য রাখেন।
জানাজায় বৃহত্তর ফরিদপুর অঞ্চল থেকে বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
উল্লেখ্য, দেলোয়ার হোসেন গত ৩০ এপ্রিল দুপুর ১টা ১০ মিনিটে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর। তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে, চার মেয়ে এবং অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
