এ কে আজাদ বলেছেন, তাঁর নিজস্ব অবস্থানের কারণেই প্রতিষ্ঠানের সাংবাদিকেরা পুরোপুরি স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেন না। তিনি বলেন, তাঁর বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে প্রায় ৭৫ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী কাজ করেন এবং তাদের স্বার্থ রক্ষা করাকেই তিনি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেন।
শনিবার সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ জার্নালিজম কনফারেন্স ২০২৬’-এর শেষ দিনের দ্বিতীয় সেশনে তিনি এসব কথা বলেন। সেশনের আলোচ্য বিষয় ছিল—‘মিডিয়া সেলফ রেগুলেশন ইন বাংলাদেশ: প্রফেশনাল ওভারসাইট, অ্যাকাউন্টেবিলিটি অ্যান্ড গ্রিভেন্স রেডরেসাল’।
আলোচনায় এ কে আজাদের কাছে জানতে চাওয়া হয়, তিনি একই সঙ্গে ব্যবসায়ী ও গণমাধ্যম মালিক হওয়ায় তাঁর প্রতিষ্ঠানের সংবাদমাধ্যম কতটা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে। জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি নির্দ্বিধায় বলতে পারি, সাংবাদিকেরা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছেন না। আর এর প্রধান অন্তরায় আমি নিজেই।’
তিনি আরও বলেন, অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা করতে দীর্ঘ সময়, তথ্য-উপাত্ত এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য প্রয়োজন হয়। কিন্তু কোনো দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশের আগে থেকেই বিভিন্ন মহল থেকে চাপ আসতে শুরু করে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, যাঁদের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন প্রকাশের সম্ভাবনা থাকে, তাঁদের পক্ষ থেকেই প্রথমে যোগাযোগ করা হয় যেন সংবাদটি প্রকাশ না হয়।
