প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন চীন সফরের পরপরই বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক যোগাযোগের এক নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানাচ্ছে, তারেক রহমানের বেইজিং সফর শেষ হওয়ার পরেই পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ এবং সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনীরের ঢাকা সফরের একটি জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।
তারেক রহমানের এই গুরুত্বপূর্ণ চীন সফরটি আগামী ২১ মে থেকে শুরু হতে যাচ্ছে। বেশ কয়েক দিনের এই সফরে দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং কৌশলগত সম্পর্কের উন্নয়ন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার কথা রয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই সফরের মাধ্যমে এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে বাংলাদেশের অবস্থান আরও সুসংহত হতে পারে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীন থেকে ফেরার পরপরই পাকিস্তান সরকারের শীর্ষ এই দুই ব্যক্তির ঢাকা সফরের পরিকল্পনাকে দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক কূটনীতির জন্য একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই সফরে দুই দেশের মধ্যে অমীমাংসিত দ্বিপাক্ষিক ইস্যুগুলো ছাড়াও অর্থনৈতিক ও সামরিক সহযোগিতার বিষয়ে নতুন কোনো ঘোষণা আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সাম্প্রতিক সময়ে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের যে পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের এই উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ তারই অংশ। তারেক রহমানের চীন সফরের টাইমিং এবং এর পরপরই শেহবাজ শরীফ ও আসিম মুনীরের আগমনের সম্ভাবনাকে অনেকেই ‘ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতি’র উদাহরণ হিসেবে দেখছেন।
পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে শীর্ষ পর্যায়ের এই সফরের তারিখ ও আনুষ্ঠানিক সূচি এখনো চূড়ান্ত না হলেও উভয় দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে প্রস্তুতি গ্রহণ করছে। এই সম্ভাব্য সফরটি সফল হলে দীর্ঘদিনের শীতল সম্পর্ক কাটিয়ে দুই দেশের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে পারে।
