চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) বিরুদ্ধে সাধারণ নারী শিক্ষার্থীদের অত্যন্ত গোপন তথ্য ও ব্যক্তিগত মুঠোফোন নম্বর নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের কাছে সরবরাহ করার এক গুরুতর ও স্পর্শকাতর অভিযোগ উঠেছে। পুলিশের তরফ থেকে তথ্য ফাঁসের পর থেকে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা চরম নিরাপত্তা ঝুঁকিতে দিন কাটাচ্ছেন এবং তাদের বিভিন্নভাবে অনাকাঙ্ক্ষিত হেনস্তা করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নুসরাত জাহান বিনতি নামের এক ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর দেওয়া একটি চাঞ্চল্যকর পোস্টের মাধ্যমে এই পুরো বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশকে (সিএমপি) সরাসরি ট্যাগ করে দেওয়া ওই ফেসবুক পোস্টে তিনি প্রশাসনের দায়িত্বশীল ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
ফেসবুক পোস্টে নুসরাত জাহান বিনতি সরাসরি অভিযোগ করে বলেন, “আমরা আজকে এই নাম্বারগুলো সিএমপিতে দিয়েছি, কিন্তু তাদের মধ্যে কেউ একজন আমাদের এই নাম্বারগুলো ছাত্রলীগের কাছে দিয়েছে।” নিজেদের বিশ্বাসভঙ্গের এই ঘটনায় শিক্ষার্থীরা পুলিশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন তুলেছেন।
নম্বর ফাঁসের পর নিজেদের বর্তমান ভীতিকর পরিস্থিতির বিবরণ দিয়ে ওই শিক্ষার্থী আরও লেখেন, “আমাকে এবং আমার সহযোদ্ধাদের অনেক বাজেভাবে ডিস্টার্ব (হেনস্তা) করছে তারা।” তথ্য ফাঁসের পর থেকে অপরিচিত ও সন্দেহভাজন বিভিন্ন নম্বর থেকে তাদের কাছে ক্রমাগত হুমকি ও আপত্তিকর বার্তা পাঠানো হচ্ছে বলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের দাবি।
