রবিবার, জুলাই ২৬, ২০২৬
  • হোম
  • বাংলাদেশ
  • রাজনীতি
    • বিএনপি
    • আওয়ামী লীগ
    • জামায়াত
    • এনসিপি
    • অন্যান্য
  • আন্তর্জাতিক
  • বিশ্লেষণ
  • মতামত
  • ইসলাম
  • খেলা
  • ফিচার
  • ফটো
  • ভিডিও
  • বিবিধ
    • শিক্ষাঙ্গণ
No Result
View All Result
  • হোম
  • বাংলাদেশ
  • রাজনীতি
    • বিএনপি
    • আওয়ামী লীগ
    • জামায়াত
    • এনসিপি
    • অন্যান্য
  • আন্তর্জাতিক
  • বিশ্লেষণ
  • মতামত
  • ইসলাম
  • খেলা
  • ফিচার
  • ফটো
  • ভিডিও
  • বিবিধ
    • শিক্ষাঙ্গণ
No Result
View All Result
No Result
View All Result
হোম প্রধান সংবাদ

জঙ্গি অভিযানে নেতৃত্বে নিয়েছেন পুরস্কার, ট্রাইব্যুনালে আসতেই ভীরুতা

অধস্তনের ঘাড়ে দায় চাপালেন ডিআইজি আশিক

মে ২০, ২০২৬
A A
জঙ্গি অভিযানে নেতৃত্বে নিয়েছেন পুরস্কার,  ট্রাইব্যুনালে আসতেই ভীরুতা
Share on FacebookShare on Twitter

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে যা ছিল বীরত্ব ও চরম কৃতিত্বের, পরিবর্তিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তদন্ত শুরু হতেই তা যেন এখন হয়ে উঠেছে বড় এক দায়। আর সেই দায় এড়াতে নিজের জ্যেষ্ঠতা ও চেইন অব কমান্ডকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে পুরো অভিযানের দায় অধস্তনের ওপর চাপানোর এক ন্যাক্কারজনক চেষ্টা করছেন খোদ পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। আলোচিত এই কর্মকর্তার নাম মোহাম্মদ আশিকুর রহমান, যিনি পুলিশের বিশেষায়িত শাখা সোয়াতের (SWAT) সাবেক কমান্ডার এবং বর্তমানে রাজশাহীর ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে অ্যাডিশনাল ডিআইজি হিসেবে কর্মরত আছেন।

ঘটনাটি ২০১৬ সালের ৮ অক্টোবর গাজীপুরের নোয়াগাঁও পাটারটেক এলাকায় পরিচালিত জঙ্গিবিরোধী ‘অপারেশন স্পেট-৮’-কে ঘিরে, যেখানে ৭ জন মাদ্রাসাপড়ুয়া শিক্ষার্থী নিহত হয়েছিল। তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একে ‘নব্য জেএমবি’র বিরুদ্ধে সফল অভিযান বললেও, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর নিহতদের পরিবার একে ‘পরিকল্পিত গুম ও হত্যা’ দাবি করে ট্রাইব্যুনালে মামলা করে। এই অভিযানের মূল নায়ক হিসেবে ২০১৭ সালে পুলিশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পদক ‘বাংলাদেশ পুলিশ মেডেল (বিপিএম)-সাহসিকতা’ পেয়েছিলেন তৎকালীন এডিসি আশিকুর রহমান।

সম্প্রতি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দেওয়া জবানবন্দিতে অ্যাডিশনাল ডিআইজি আশিকুর রহমান সম্পূর্ণ উল্টো সুর গেয়ে দাবি করেছেন, তিনি ওই অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন না। বরং তাঁর অধীনস্থ কর্মকর্তা সহকারী কমিশনার (এসি) এসএম জাহাঙ্গীর হাসান ওই অপারেশনের কমান্ড ও সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। জবানবন্দিতে তিনি আরও উল্লেখ করেন, তৎকালীন সিটিটিসি প্রধান মনিরুল ইসলাম ও গাজীপুরের এসপি হারুন অর রশীদ সরাসরি গুলি চালানোর নির্দেশ দেন এবং তিনি নিজে কোনো গুলিই করেননি, বরং মনিরুল ইসলাম জোর করে জিডিতে তাঁর নামে গুলি বণ্টন দেখিয়েছেন।

তবে অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ট্রাইব্যুনালে দেওয়া আশিকুরের এই জবানবন্দি সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং সরকারি নথির সাথে সরাসরি সাংঘর্ষিক। ঘটনার পরপরই ২০১৬ সালের অক্টোবরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলামের জমা দেওয়া তদন্ত প্রতিবেদন এবং জয়দেবপুর থানার সাধারণ ডায়েরি (জিডি)—উভয় সরকারি নথিতেই স্পষ্ট লেখা রয়েছে যে, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে কমান্ডার মোহাম্মদ আশিকুর রহমানের নেতৃত্বেই সোয়াত টিম সেখানে অবস্থান নেয়, ঘেরাও করে এবং অপারেশন পরিচালনা করে। নথির কোথাও জুনিয়র কর্মকর্তা জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বের কথা উল্লেখ নেই।

সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর বিষয় হলো, আশিকুর রহমান নিজের পিঠ বাঁচাতে যার ওপর সমস্ত দায় চাপিয়েছেন, সেই এসি জাহাঙ্গীর হাসান অভিযানের শুরুতেই জঙ্গিদের গুলিতে বুকে আঘাত পেয়ে কার্যত নিষ্ক্রিয় ও গুরুতর আহত হয়ে পড়েছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শী সোয়াত কর্মকর্তা এএসআই রাশেদুল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন যে, বুলেটপ্রুফ ভেস্টে গুলি লেগে জাহাঙ্গীর আহত হওয়ার পর তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। সোয়াতের মতো কঠোর চেইন অব কমান্ডের ইউনিটে কমান্ডারের উপস্থিতিতে একজন আহত জুনিয়র কর্মকর্তার পক্ষে অভিযানের নেতৃত্ব দেওয়া কোনোভাবেই সম্ভব নয়।

মিথ্যা জবানবন্দির বিষয়ে বিস্ময় প্রকাশ করে এসি জাহাঙ্গীর হাসান সংবাদমাধ্যমকে জানান, বড় স্যারদের নির্দেশে আশিকুর স্যারই তাঁদেরকে ৩টি দলে ভাগ করে ভেতরে ঢোকার নির্দেশ দিয়েছিলেন। সিনিয়র কর্মকর্তার উপস্থিতিতে জুনিয়রের কমান্ড করার কোনো সুযোগ নেই উল্লেখ করে আশিকুর রহমান কেন এমন অসত্য বললেন, তা তাঁর বোধগম্য নয়। এই গুরুতর জালিয়াতি ও দায় এড়ানোর বিষয়ে জানতে চাইলে অ্যাডিশনাল ডিআইজি আশিকুর রহমান সুকৌশলে মন্তব্য এড়িয়ে গিয়ে বলেন, বিষয়টি যেহেতু বর্তমানে আইনগত তদন্তাধীন (সাব-জুডিশিয়াল), তাই এই মুহূর্তে তিনি কোনো কথা বলতে চান না।

বর্তমানে ৫ আগস্টের পর চাঁপাইনবাবগঞ্জ, কল্যাণপুর ও গাজীপুরের এই কথিত জঙ্গিবিরোধী অভিযানগুলো নিয়ে ট্রাইব্যুনালে একের পর এক হত্যা ও গুমের মামলা হওয়ায় পুলিশের কাউন্টার টেররিজম (সিটিটিসি) ও সোয়াতের ভেতরে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ইতিমধ্যে সিটিটিসির একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা কারাগারে রয়েছেন এবং অন্তত ২০ জন ক্যাডার কর্মকর্তা গ্রেপ্তার বা হয়রানির ভয়ে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থেকে আত্মগোপনে চলে গেছেন।

সম্পর্কিত খবর

প্রধান সংবাদ

এবার আর ‘ভুল’ নয়, যেসব বিষয়ে প্রাধান্য দিয়ে রাষ্ট্রপতি বানাবে বিএনপি

জুলাই ২৬, ২০২৬
প্রধান সংবাদ

সেনাবাহিনীতে পদোন্নতির ক্ষেত্রে রাজনৈতিক পছন্দের ঊর্ধ্বে থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

জুলাই ২৬, ২০২৬
প্রধান সংবাদ

নিরাপদে দেশত্যাগের সমঝোতায় পদত্যাগ করেন সাহাবুদ্দিন

জুলাই ২৬, ২০২৬

সপ্তাহের সেরা

  • হাসিনা মামলায় শেষ সাক্ষীর জবানবন্দি কাল, রায় কবে?

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • একসঙ্গে ১৭ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে বদলি, জামায়াতপন্থিদের সরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • তিন বোন একসঙ্গে বিয়ে করলেন এক যুবককে

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • ‘ককরোচকে ফান্ড দিচ্ছে জামায়াত’ সাংবাদিকের প্রশ্নে যা বললেন জয়সোয়াল

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • হোটেল রুমে গোপন ক্যামেরা আছে কিনা ২ মিনিটেই পরীক্ষা করুন

    0 shares
    Share 0 Tweet 0

সর্বশেষ খবর

দেবিদ্বারে শিশু পেটানো ভাইরাল মাদরাসা শিক্ষকের পরিচয় মিলল, দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি

জুলাই ২৬, ২০২৬

নড়াইল জেলায় ভয়েস অব ইনসাফ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দেশীয় প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচি সম্পন্ন

জুলাই ২৬, ২০২৬

জুলাই গণহত্যা: চুপ্পুর বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ

জুলাই ২৬, ২০২৬
  • হোম
  • গোপনীয়তা নীতি
  • শর্তাবলি ও নীতিমালা
  • যোগাযোগ
ইমেইল: info@azadirdak.com

স্বত্ব © ২০২৪-২০২৫ আজাদির ডাক | সম্পাদক: মঈনুল ইসলাম খান | ৩, রাজউক এভিনিউ, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০

No Result
View All Result
  • হোম
  • বাংলাদেশ
  • রাজনীতি
    • বিএনপি
    • আওয়ামী লীগ
    • জামায়াত
    • এনসিপি
    • অন্যান্য
  • আন্তর্জাতিক
  • বিশ্লেষণ
  • মতামত
  • ইসলাম
  • খেলা
  • ফিচার
  • ফটো
  • ভিডিও
  • বিবিধ
    • শিক্ষাঙ্গণ

স্বত্ব © ২০২৪-২০২৫ আজাদির ডাক | সম্পাদক: মঈনুল ইসলাম খান | ৩, রাজউক এভিনিউ, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০

Exit mobile version