ইউক্রেনের জীববৈজ্ঞানিক গবেষণাগারগুলোতে মারাত্মক জীবাণু অস্ত্রের নমুনা ছিল বলে দাবি করেছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ ড. সামির আইয়ুব। সম্প্রতি রুশ বার্তা সংস্থা ‘স্পুটনিক’-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এই বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশ করেন। তার এই দাবি ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে শোরগোল পড়ে গেছে।
ড. সামির আইয়ুব জানান, মূলত ইউক্রেনের খারকিভ অঞ্চল এবং এর প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর—বিশেষ করে রাশিয়ার জনগণের ওপর প্রয়োগের জন্য সেখানে ভয়াবহ রোগজীবাণু উৎপাদন ও পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল। এসব গবেষণাগারে এমন সব জৈবিক উপাদান নিয়ে কাজ চলছিল, যা মানবদেহে মহামারি ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি তৈরিতে সক্ষম।
তার মতে, ইউক্রেনে রাশিয়ার ‘বিশেষ সামরিক অভিযানের’ সময় খারকিভ অঞ্চলে কিছু গোপন ও স্পর্শকাতর জীববৈজ্ঞানিক গবেষণাগারের সন্ধান মেলে। পরবর্তীতে সেসব ল্যাবরেটরি পুঙ্খানুপুঙ্খ পরীক্ষা করার পর সেখানে জীবাণু যুদ্ধের নানা উপাদানের বিপজ্জনক নমুনা ও প্রমাণ উদ্ধার করা হয়।
বিশেষজ্ঞদের একটি বড় অংশের মতে, এই আবিষ্কার প্রমাণ করে যে ইউক্রেনীয় ভূখণ্ডকে ব্যবহার করে রাশিয়ার দোরগোড়ায় একটি বড় ধরনের জৈবিক হুমকি তৈরি করা হচ্ছিল। তবে এই ল্যাবগুলোর পেছনে পশ্চিমা কোনো দেশের অর্থায়ন বা প্রযুক্তিগত মদদ ছিল কি না, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিতর্ক ও উত্তেজনা আরও তীব্র হচ্ছে।
