রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ডাকাতি এবং পুলিশের সোর্সদের ওপর হামলার প্রস্তুতির অভিযোগে শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত ‘কুত্তা ফারুক’সহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে চাপাতি, সামুরাই ও কয়েকটি দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
বুধবার দিবাগত রাতে মোহাম্মদপুরের শেখেরটেক এলাকায় অভিযান চালিয়ে আদাবর থানা পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে।
পুলিশ জানায়, ফারুকের নেতৃত্বাধীন একটি সংঘবদ্ধ চক্র গভীর রাতে একটি মুরগির খামারে ডাকাতির পরিকল্পনা করছিল। একই সঙ্গে সম্প্রতি আদাবর এলাকায় কিশোর গ্যাং নেতা বিল্লাল হোসেন ওরফে ভাইস্তা বিল্লাল এবং মউরা সোহেল গ্রেপ্তারের প্রতিশোধ নিতে পুলিশের সোর্সদের ওপর হামলার প্রস্তুতিও নিচ্ছিল তারা।
পুলিশের দাবি, এ চক্রে স্থানীয় সন্ত্রাসীদের পাশাপাশি শরীয়তপুর ও মাদারীপুর থেকে ভাড়াটে সন্ত্রাসীও আনা হয়েছিল।
অভিযানের সময় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে চাপাতি, সামুরাইসহ কয়েকটি দেশীয় ধারালো অস্ত্র জব্দ করা হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য থানায় নেওয়া হয়।
গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলে স্থানীয় বাসিন্দা ও ভুক্তভোগীরা জড়ো হন। তারা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ তুলে ধরেন। তবে তাদের অভিযোগ, এ ধরনের অভিযানে গ্রেপ্তার হওয়া অনেক আসামিই অল্প সময়ের মধ্যে জামিনে মুক্ত হয়ে পুনরায় অপরাধে জড়িয়ে পড়ে। ফলে এলাকায় স্থায়ীভাবে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আনা কঠিন হয়ে পড়ছে।
