ইরানের সশস্ত্র বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্কতাবস্থায় রাখা হয়েছে। দেশজুড়ে এক যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি ঘোষণা করে সেনাদের কৌশলগত বিভিন্ন অবস্থানে ছড়িয়ে পড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
একই সাথে ইরাকি কুর্দিস্তান সীমান্তে হাজার হাজার বিশেষ বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করেছে তেহরান। সীমান্ত এলাকায় কুর্দি বিদ্রোহীদের সম্ভাব্য তৎপরতা নস্যাৎ করতেই এই বিশাল সেনা সমাবেশ ঘটিয়েছে দেশটি।
এক সাক্ষাৎকারে ইরানের একজন ফিল্ড কমান্ডার জানান, মার্কিন ও ইসরাইলি মদদে কুর্দি গোষ্ঠীগুলো যদি ইরানের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের চেষ্টা করে, তবে তাদের কেবল প্রতিহতই করা হবে না। বরং ইরানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সীমান্তের ওপারে কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত একটি বিশেষ নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হবে।
সাম্প্রতিক সময়ে কুর্দি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর পক্ষ থেকে সীমান্তে নতুন করে উত্তেজনা তৈরির চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ তেহরানের। এই পরিস্থিতিতে যেকোনো ধরনের আগ্রাসন বা অনুপ্রবেশের চেষ্টা ঠেকাতে ইরান কঠোর অবস্থান নিয়েছে এবং সামরিক বাহিনীকে যেকোনো মুহূর্তের জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
