শিয়ানির্ভর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফন সম্পন্ন হয়েছে। শিয়াদের অন্যতম পবিত্র স্থান হিসেবে বিবেচিত অষ্টম ইমাম রেজার মাজারে তাঁকে সমাহিত করা হয়।
ইরান, আফগানিস্তান ও তুর্কমেনিস্তান সীমান্তের কাছে অবস্থিত এই পবিত্র স্থানটিতে প্রতিবছর প্রায় ৩ কোটি মানুষ জিয়ারত করতে আসেন। খামেনির দাফন অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে মাশহাদ শহরে লাখো মানুষের ঢল নামে।
ঐতিহাসিক ও চমকপ্রদ তথ্য হলো, এই একই মাজার কমপ্লেক্সের ভেতরে শায়িত আছেন আব্বাসী খেলাফতের বিখ্যাত পঞ্চম খলিফা এবং আরব্য রজনীর অন্যতম প্রধান চরিত্র খলিফা হারুনুর রশীদ। উসমানীয় ও আব্বাসী আমলের ইতিহাসের এক অনন্য মেলবন্ধন এই মাজারটি।
ইসলামী ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল খোরাসানের এই মাশহাদ শহরটির পূর্ব নাম ছিল ‘তুস’। এই প্রাচীন শহরটি থেকে মাত্র ২৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত সুন্নী ইসলামি দর্শনের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ, হুজ্জাতুল ইসলাম ইমাম গাজালির (রহ.) সমাধি।
ইতিহাসের বিভিন্ন যুগ, শাসনব্যবস্থা এবং ইসলামি চিন্তাধারার নানা স্রোত এসে মিশেছে খোরাসানের এই বিশেষ অঞ্চলটিতে। ফলে ধর্মীয় ও ঐতিহাসিকভাবে এই স্থানটি মুসলিম বিশ্বে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
