শুক্রবার, জুলাই ১৭, ২০২৬
  • হোম
  • বাংলাদেশ
  • রাজনীতি
    • বিএনপি
    • আওয়ামী লীগ
    • জামায়াত
    • এনসিপি
    • অন্যান্য
  • আন্তর্জাতিক
  • বিশ্লেষণ
  • মতামত
  • ইসলাম
  • খেলা
  • ফিচার
  • ফটো
  • ভিডিও
  • বিবিধ
    • শিক্ষাঙ্গণ
No Result
View All Result
  • হোম
  • বাংলাদেশ
  • রাজনীতি
    • বিএনপি
    • আওয়ামী লীগ
    • জামায়াত
    • এনসিপি
    • অন্যান্য
  • আন্তর্জাতিক
  • বিশ্লেষণ
  • মতামত
  • ইসলাম
  • খেলা
  • ফিচার
  • ফটো
  • ভিডিও
  • বিবিধ
    • শিক্ষাঙ্গণ
No Result
View All Result
No Result
View All Result
হোম ফিচার

১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ: পূর্ব বাংলার মুসলিম জাগরণ বনাম কলকাতার জমিদারদের স্বার্থরক্ষা

জুলাই ১৭, ২০২৬
A A
১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ: পূর্ব বাংলার মুসলিম জাগরণ বনাম কলকাতার জমিদারদের স্বার্থরক্ষা
Share on FacebookShare on Twitter

বঙ্গভঙ্গ এবং তদানীন্তন পূর্ব বাংলার আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে ইতিহাসের পাতায় নানা বিশ্লেষণ ও বিতর্ক রয়েছে। ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ তৎকালীন পূর্ব বাংলার অবহেলিত ও সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম জনগোষ্ঠীর শিক্ষা, শিল্প ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছিল। ঢাকায় একটি নতুন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগসহ সার্বিক উন্নয়নে পূর্ব বাংলার মুসলমানরা একে স্বাগত জানায়।

তবে এই প্রশাসনিক বিভক্তি তৎকালীন কলকাতা-কেন্দ্রিক জমিদার শ্রেণী এবং উচ্চবর্ণের হিন্দু সমাজের একটি বড় অংশের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও আশঙ্কার জন্ম দেয়। তারা মনে করেছিল, এই সিদ্ধান্তের ফলে পূর্ব বাংলায় তাদের জমিদারি প্রভাব হ্রাস পাবে এবং সরকারি চাকরি ও অফিস-আদালতে কলকাতার একচেটিয়া আধিপত্য খর্ব হবে।

এই বিরোধিতার জের ধরে পরবর্তীতে গড়ে ওঠে তীব্র স্বদেশী আন্দোলন। আন্দোলনের একটি অংশ হিসেবে ‘অনুশীলন সমিতি’ ও ‘যুগান্তর’-এর মতো সশস্ত্র বিপ্লবী দলগুলোর আত্মপ্রকাশ ঘটে। ক্ষুদিরাম বসু, সূর্যসেন, প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার ও বীণা দাসের মতো ব্যক্তিরা ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন, যা ইতিহাসে বিপ্লবী আন্দোলন হিসেবে পরিচিত হলেও এর পেছনে তৎকালীন সাম্প্রদায়িক ও অর্থনৈতিক স্বার্থের সংঘাতও জড়িয়ে ছিল।

তৎকালীন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, এই সশস্ত্র আন্দোলনের মূল চালিকাশক্তি ছিল কলকাতা-কেন্দ্রিক জমিদার শ্রেণীর স্বার্থরক্ষা। তীব্র আন্দোলন ও সহিংসতার মুখে অবশেষে ১৯১১ সালে ব্রিটিশ সরকার বঙ্গভঙ্গ রদ করতে বাধ্য হয়।

ঐতিহাসিকদের একটি বড় অংশ মনে করেন, ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ না হলে পূর্ব বাংলা, আসাম ও আরাকান অঞ্চল নিয়ে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ একটি বিশাল ও শক্তিশালী ভূখণ্ড প্রতিষ্ঠিত হতে পারত। তেমনটি হলে আসামের মুসলিম জনগোষ্ঠীর নাগরিকত্ব সংকট কিংবা আরাকানের রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর চলমান মানবিক বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হতো বলে অনেক বিশ্লেষক মনে করেন।

সম্পর্কিত খবর

আওয়ামী লীগ

জুলাই-আগস্টের সব ফোনালাপ জনসমক্ষে প্রকাশের দাবি রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের

জুলাই ১৭, ২০২৬
ফিচার

রাষ্ট্রের কাছে শুধুই ‘রেমিট্যান্স মেশিন’, জীবিত অবস্থায় অবহেলা আর মৃত্যুর পর কার্গো গেট

জুলাই ১৭, ২০২৬
বাংলাদেশ

চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত

জুলাই ১৭, ২০২৬

সপ্তাহের সেরা

  • হাসিনা মামলায় শেষ সাক্ষীর জবানবন্দি কাল, রায় কবে?

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • উপবৃত্তি বিতরণে চরম বৈষম্য: ৩২ শিক্ষার্থীর সবাই হিন্দু, বঞ্চিত মুসলিমরা

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • পাকিস্তান ভেঙে বাংলাদেশ সৃষ্টিতে ইন্দিরা গান্ধীর ভূমিকা নিয়ে সংসদে প্রিয়াঙ্কার অকপট স্বীকারোক্তি

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইরানি গণমাধ্যমে ১৩ বিদেশি নেতার ছবি প্রকাশ

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • নবম পে স্কেল সরকারি চাকরিজীবীরা ইনক্রিমেন্ট পাবেন ৪ ক্যাটাগরিতে, কোন গ্রেডে কত

    0 shares
    Share 0 Tweet 0

সর্বশেষ খবর

বন্যায় প্রাণহানি বেড়ে ৫৮, সবচেয়ে বেশি ক্ষতি কক্সবাজার ও চট্টগ্রামে

জুলাই ১৭, ২০২৬

১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ: পূর্ব বাংলার মুসলিম জাগরণ বনাম কলকাতার জমিদারদের স্বার্থরক্ষা

জুলাই ১৭, ২০২৬

অপরাধীদের নাম জানা আছে, শান্তিতে মৃত্যুর আশা অপূর্ণই থাকবে: মোজতবা খামেনি

জুলাই ১৭, ২০২৬
  • হোম
  • গোপনীয়তা নীতি
  • শর্তাবলি ও নীতিমালা
  • যোগাযোগ
ইমেইল: info@azadirdak.com

স্বত্ব © ২০২৪-২০২৫ আজাদির ডাক | সম্পাদক: মঈনুল ইসলাম খান | ৩, রাজউক এভিনিউ, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০

No Result
View All Result
  • হোম
  • বাংলাদেশ
  • রাজনীতি
    • বিএনপি
    • আওয়ামী লীগ
    • জামায়াত
    • এনসিপি
    • অন্যান্য
  • আন্তর্জাতিক
  • বিশ্লেষণ
  • মতামত
  • ইসলাম
  • খেলা
  • ফিচার
  • ফটো
  • ভিডিও
  • বিবিধ
    • শিক্ষাঙ্গণ

স্বত্ব © ২০২৪-২০২৫ আজাদির ডাক | সম্পাদক: মঈনুল ইসলাম খান | ৩, রাজউক এভিনিউ, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০

Exit mobile version