বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান ও তাঁর সফরসঙ্গী প্রতিনিধিদল তুরস্কের অন্যতম প্রধান প্রতিরক্ষা শিল্প প্রতিষ্ঠান ‘মেকানিক্যাল অ্যান্ড কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রি সংস্থা’ (MKE)-এর গাজী ফায়ারিং ফ্যাক্টরি পরিদর্শন করেছেন।
সফরকালে সেনাপ্রধান ও প্রতিনিধিদলের সদস্যরা কারখানার সার্বিক উৎপাদন কার্যক্রম, আধুনিক প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও বিভিন্ন ধরণের গোলাবারুদ তৈরির প্রযুক্তিগত প্রক্রিয়া ঘুরে দেখেন। এই সময় MKE-এর মহাব্যবস্থাপক ইলহামি কেলেশ বাংলাদেশি প্রতিনিধিদলকে প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদন সক্ষমতা এবং ভবিষ্যতে দুই দেশের সামরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রসমূহ নিয়ে বিস্তারিত ব্রিফিং প্রদান করেন।
উচ্চপর্যায়ের এই বৈঠকে মূলত গোলাবারুদ সরবরাহ, উন্নত প্রযুক্তি বিনিময় এবং দুই দেশের প্রতিরক্ষা শিল্পের সার্বিক উন্নয়ন ও পারস্পরিক সহযোগিতার নানাদিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীর আধুনিকায়ন পরিকল্পনা ‘ফোর্সেস গোল ২০৩০’-এর আওতায় তুরস্কের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সম্পর্কের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি ঘটেছে। এই সহযোগিতার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে ইতোমধ্যে তুরস্কের তৈরি আধুনিক ‘MKE BORAN ১০৫ মিমি এয়ারবোর্ন লাইট হাউইটজার’ আর্টিলারি সিস্টেম যুক্ত হয়েছে।
বর্তমানে বাংলাদেশ ও তুরস্কের সামরিক মিত্রতা কেবল অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম ক্রয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। এটি এখন প্রযুক্তির হস্তান্তর, দেশীয়ভাবে উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘমেয়াদি শিল্প ও বাণিজ্যিক সহযোগিতার এক নতুন দিগন্তে প্রসারিত হচ্ছে।
