মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের মধ্যে বেসামরিক পারমাণবিক চুক্তি স্বাক্ষরের ঠিক একদিন পরেই নতুন শর্ত যুক্ত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি স্পষ্ট জানান, ইরান বা সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো সৌদি আরবও বেসামরিক কাজে ব্যবহারের জন্য পারমাণবিক প্রযুক্তি পেতে পারে, তবে এই পুরো প্রক্রিয়াটি আব্রাহাম একর্ডসে সৌদি আরবের যুক্ত হওয়া অর্থাৎ ইসরায়েলকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়ার ওপর নির্ভর করবে।
অথচ এর আগে চুক্তিটি স্বাক্ষরের সময় কোনো ধরনের পূর্বশর্ত ছাড়াই ওয়াশিংটন থেকে রিয়াদ পারমাণবিক প্রযুক্তি পাচ্ছে বলে মার্কিন গণমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে খবর প্রকাশিত হয়েছিল। ৩০ বছর মেয়াদী এই চুক্তিতে ইসরায়েলকে স্বীকৃতির কোনো শর্ত না থাকায় মার্কিন প্রশাসন ও ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের অভ্যন্তরীণ বলয়ে নানা আলোচনা চলছিল।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই নতুন অবস্থানকে স্বাগত জানিয়ে বার্তা দিয়েছে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দপ্তর। তাঁদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ কূটনৈতিক প্রচেষ্টা এবং আব্রাহাম একর্ডসে সৌদি আরবের অন্তর্ভূক্তি মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় এক ঐতিহাসিক মাইলফলক হবে।
আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে এই পরিবর্তনকে একটি বড় কূটনৈতিক মোড় হিসেবে দেখা হচ্ছে। চুক্তি অনুমোদনের পর ট্রাম্পের অবস্থান বদল ও নতুন শর্ত জুড়ে দেওয়ার ফলে বেসামরিক পারমাণবিক চুক্তিটি চূড়ান্ত বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সৌদি আরব এখন কী পদক্ষেপ নেয়, সেদিকে নজর রাখছে পুরো বিশ্ব।







