কক্সবাজারের রামুতে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মোটরসাইকেল শোডাউন ও মিছিল করার অভিযোগ উঠেছে। অন্যদিকে উখিয়ায় গোপনে কর্মী সমাবেশ করার ঘটনায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের ১১৪ জনের নাম উল্লেখ করে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, রোববার (২৬ জুলাই) সকালে রামুর রশিদনগর ইউনিয়ন থেকে ছাত্রলীগের একটি মোটরসাইকেল বহর ও মিছিল শুরু হয়ে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়ক হয়ে জোয়ারিয়ানালার দিকে যায়। যদিও রামু থানার ওসি মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়ার দাবি, বৃষ্টির চিত্র না থাকায় ভিডিওটি ওই দিনের নাও হতে পারে। তবে উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক তারেক উদ্দিন মিশুক নিশ্চিত করেছেন, সকালে বৃষ্টি শুরুর আগেই তাঁদের শতাধিক নেতাকর্মী এই মিছিলে অংশ নেন।
উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নে শনিবার (২৫ জুলাই) বিকেলে ছাত্রলীগের উদ্যোগে আয়োজিত এক কর্মী সমাবেশকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। সমাবেশটি অনুষ্ঠিত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিল বের করেন এবং আয়োজকদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে, উখিয়ার নলবুনিয়া এলাকায় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা একত্রিত হয়ে রাষ্ট্রবিরোধী নাশকতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পরিকল্পনা করছিলেন। পরে পুলিশের একাধিক দল সেখানে অভিযান চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে হলদিয়াপালং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা মিলন বড়ুয়া ও সদস্য আবু নাসের মোহাম্মদ ইমরানকে আটক করে।
এ ঘটনায় রোববার বিকেলে উখিয়া থানার এসআই পলাশ বড়ুয়া বাদী হয়ে উখিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক নুরুল হুদাসহ ১১৪ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচয়ের আরও ৫০-৬০ জনকে আসামি করে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করেন। আটক দুজনকে ইতোমধ্যেই আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন উখিয়া থানার ওসি আতিকুর রহমান মজুমদার।







