ইরানের বিরুদ্ধে পরিচালিত কোনো সামরিক অভিযানে নিজেদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ সরাসরি ও দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করেছে কুয়েত সরকার। দেশটির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে, ইরানে হামলা চালানোর উদ্দেশ্যে কুয়েতের ভূখণ্ড, আকাশসীমা কিংবা জলসীমা ব্যবহারের অনুমতি কোনো পক্ষকেই দেওয়া হয়নি।
মার্কিন শীর্ষ দৈনিক ‘ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’-এ প্রকাশিত একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের পর কুয়েতের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ‘কুনা’ এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা ও অবস্থান পরিষ্কার করে। ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জবাবে কুয়েত এবং বাহরাইন গোপনে বিমান হামলা পরিচালনা করেছে। এতে আরও বলা হয়, চলতি মাসের শুরুতে ইরানি সামরিক স্থাপনা ও অস্ত্র গুদাম লক্ষ্য করে চালানো ওই অভিযানে সংযুক্ত আরব আমিরাত গোয়েন্দা তথ্য দিয়ে সহায়তা করে।
প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হওয়ার পরপরই যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত কুয়েতের রাষ্ট্রদূত শেখা আল-জেইন আল-সাবাহ ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের সম্পাদকীয় বোর্ডের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এই অভিযোগগুলোকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে আখ্যা দেন। চিঠিতে তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন, কুয়েত কখনোই ইরানের বিরুদ্ধে কোনো সামরিক পদক্ষেপে অংশ নেয়নি এবং নিজেদের কোনো কৌশলগত এলাকাও ব্যবহার করতে দেয়নি।
ইরানি গণমাধ্যম মেহর নিউজও কুয়েতের এই শক্ত অবস্থানের কথা তুলে ধরেছে। কুয়েত সরকার প্রতিবেদনটির যাবতীয় তথ্য কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করলেও, ওই একই প্রতিবেদনে অভিযুক্ত অপর দেশ বাহরাইনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া বা বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
