মালয়েশিয়ায় কোনো ইসরায়েলি নাগরিকের উপস্থিতি শনাক্ত হলে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে দেশটি থেকে বহিষ্কার করার ঘোষণা দিয়েছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। ইসরায়েলকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়ার যে দীর্ঘদিনের নীতি মালয়েশিয়া অনুসরণ করে আসছে, সেই নীতির আলোকেই এই কঠোর পদক্ষেপ বহাল রাখার বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করেছেন তিনি।
কয়েক দশক ধরেই মালয়েশিয়ার সঙ্গে ইসরায়েলের কোনো আনুষ্ঠানিক বা কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চাপ থাকা সত্ত্বেও নিজেদের এই অবস্থান থেকে সরবে না উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম স্পষ্ট জানান যে, ইসরায়েল সম্পর্কে মালয়েশিয়ার দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক ও নীতিগত অবস্থান অপরিবর্তিত থাকবে।
মালয়েশিয়ার এমন অবস্থান ও নীতির কারণে দেশটির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে মার্কিন প্রশাসনের প্রতি দাবি জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকজন আইনপ্রণেতা। মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের আটজন সদস্য এই নীতির পরিপ্রেক্ষিতে মালয়েশিয়ার সঙ্গে ওয়াশিংটনের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পুনর্বিবেচনা করার জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি ও আহ্বান জানান।
একই ঘটনার ধারাবাহিকতায় কূটনৈতিক অঙ্গনে প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রদূতকে তলব করা হয়েছে। মার্কিন আইনপ্রণেতাদের এই অবস্থান উভয় দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আসা এই ধরনের মানসিক ও কূটনৈতিক চাপ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন আনোয়ার ইব্রাহিম। ইসরায়েলকে “অবৈধ জায়নিস্ট সত্তা” হিসেবে অভিহিত করে তিনি জানিয়ে দেন, বাহ্যিক কোনো কূটনৈতিক চাপের কাছে মাথা নত না করে তার দেশ এই নীতি ও কঠোর অবস্থান বজায় রাখবে।







