ইরানে চার মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার ঘটনার পর দেশটির বিরুদ্ধে ১০ থেকে ১৪ দিনব্যাপী ব্যাপক বিমান হামলার একটি সামরিক পরিকল্পনা বিবেচনা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার এই পরিকল্পনা উত্থাপন করেছেন। এতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা দুর্বল করতে সর্বাত্মক বিমান হামলার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্প সংঘাত আরও জোরালো করার বিষয়ে আগ্রহী হলেও হামলার পরিসর ও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে এখনও আলোচনা চলছে। কুপারের মতে, ইরানের সামরিক সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে দুর্বল করতে এবং চলমান অচলাবস্থা কাটাতে হামলার তীব্রতা বাড়ানো প্রয়োজন। তিনি মনে করেন, এতে ভবিষ্যতে মার্কিন বাহিনীকে কেবল প্রতিরক্ষামূলক অবস্থানে থাকতে হবে না।
এর আগে কুপার মূল্যায়ন করেছিলেন যে, প্রাথমিক হামলার জন্য নির্ধারিত অধিকাংশ লক্ষ্যবস্তুতে ইতোমধ্যে আঘাত হানা হয়েছে। তাই নতুন কৌশলগত অগ্রগতি অর্জনে আরও বিস্তৃত সামরিক অভিযান প্রয়োজন হতে পারে।
তবে এ পরিকল্পনা নিয়ে মার্কিন সামরিক নেতৃত্বের মধ্যে ভিন্নমত রয়েছে। মার্কিন জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান ড্যান কেইন সতর্ক করে বলেছেন, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় ব্যবহৃত ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ কমে যাওয়ায় বড় ধরনের অভিযান মার্কিন বাহিনী ও তাদের আঞ্চলিক মিত্রদের জন্য অতিরিক্ত ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
এদিকে, পেন্টাগনের অভ্যন্তরে মতবিরোধের খবর প্রকাশিত হলেও মুখপাত্র শন পার্নেল তা অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, প্রতিরক্ষামন্ত্রী, অ্যাডমিরাল কুপার এবং জেনারেল কেইন—সবাই মিশনের লক্ষ্য বাস্তবায়নে ঐক্যবদ্ধ রয়েছেন।







