যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর এ যাবতকালের অন্যতম সবচেয়ে বড় ধরনের বোমা হামলা চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে একাধিক আন্তর্জাতিক সূত্রের বরাতে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে CBS News। উক্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৈশ্বিক অর্থনীতি ও জ্বালানি বাজারে সম্ভাব্য নেতিবাচক প্রভাব এড়াতে ওয়াল স্ট্রিটের লেনদেন শুরু হওয়ার আগেই এই অভিযান সম্পন্ন করার পরিকল্পনা বিবেচনা করা হচ্ছে। তবে সামরিক এই আক্রমণের চূড়ান্ত সময়সূচি এখনো নির্ধারণ করা হয়নি।
মার্কিন সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্যমতে, সম্ভাব্য এই সামরিক পদক্ষেপ ও কৌশলগত পরিকল্পনা সম্পর্কে ইসরায়েলকে আগেই অবহিত করা হয়েছে এবং তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সার্বিক সমন্বয় রক্ষা করে এগোচ্ছে। তবে অভিযানটি বাস্তবায়নে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষ থেকে এখনো কোনো চূড়ান্ত নির্দেশ জারি করা হয়নি। ইসরায়েল এতে অংশ নিলে যুদ্ধবিরতির পর এটিই হবে তাদের প্রথম বড় ধরনের সামরিক অভিযান।
ইরানের বিরুদ্ধে এই সম্ভাব্য সামরিক হামলার পরিকল্পনার বিষয়টি ক্যাম্প ডেভিডে আয়োজিত সাম্প্রতিক এক মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। তবে ট্রাম্পের বেশ কয়েকজন রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও হোয়াইট হাউসের শীর্ষ কর্মকর্তা বিশ্ববাজার এবং অর্থনৈতিক প্রভাবের কথা বিবেচনায় এনে এই সামরিক পদক্ষেপের বিরুদ্ধে জোরালো মতামত ব্যক্ত করেছেন।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, সাম্ভাব্য হামলার মূল লক্ষ্যবস্তু হতে পারে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র, তেল শোধনাগারসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামো। এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিট পুনর্ব্যক্ত করেন যে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মেয়াদকালে ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেওয়া হবে না এবং এই সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রই জয়ী হবে।
