Friday, September 25, 2026
  • হোম
  • বাংলাদেশ
  • রাজনীতি
    • বিএনপি
    • আওয়ামী লীগ
    • জামায়াত
    • এনসিপি
    • অন্যান্য
  • আন্তর্জাতিক
  • বিশ্লেষণ
  • মতামত
  • ইসলাম
  • খেলা
  • ফিচার
  • ফটো
  • ভিডিও
  • বিবিধ
    • শিক্ষাঙ্গণ
No Result
View All Result
  • হোম
  • বাংলাদেশ
  • রাজনীতি
    • বিএনপি
    • আওয়ামী লীগ
    • জামায়াত
    • এনসিপি
    • অন্যান্য
  • আন্তর্জাতিক
  • বিশ্লেষণ
  • মতামত
  • ইসলাম
  • খেলা
  • ফিচার
  • ফটো
  • ভিডিও
  • বিবিধ
    • শিক্ষাঙ্গণ
No Result
View All Result
No Result
View All Result
Home মতামত

ক্যাম্পাস কী আবার সেই পুরনো রাজনীতিতে ফিরছে?

সোয়েব মোহাম্মাদ

August 6, 2026
A A
ক্যাম্পাস কী আবার সেই পুরনো রাজনীতিতে ফিরছে?

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটলো, একথা আমরা সবাই জানি। কিন্তু এই গণঅভ্যুত্থানে জনগণের ভূমিকা এবং আকাঙ্ক্ষাই ছিল মুখ্য শক্তি। কিন্তু এই কথাটাকেই গণঅভ্যুত্থানের পরবর্তী সময়ে কৌশলগতভাবে রাজনৈতিক দলগুলো স্বীকার করতে নারাজ ছিলেন। সে সময় থেকেই এখনও লক্ষ্য করা যাচ্ছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থান একমাত্র তাদের দ্বারা উদ্ভব হয়েছে— এমন বিতর্কে জড়িয়ে থাকছেন বিএনপি, জামায়াত, এনসিপিসহ অন্যান্য সংগঠন। কিন্তু এর পূর্বে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, খেলাফতে ইসলাম, ইসলামী আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল ঐক্যবদ্ধভাবে জোরালো আন্দোলন করেছেন। কিন্তু প্রতিটি আন্দোলনে তারা দলীয়ভাবে দুর্বল হতে থাকে। তবে একথা অস্বীকার করার উপায় নেই, গণঅভ্যুত্থানের পূর্বে কোটা আন্দোলন ধরে রাখার ক্ষেত্রে বাম সংগঠনগুলোই সরাসরি অংশগ্রহণ করেছিলেন। প্রশাসনিক চাপে শুরুর দিকে অন্য কোনো ছাত্রসংগঠনের পরিচিত কর্মীরা সরাসরি কোনো ভূমিকা রাখতে পারছিলেন না। আবার সাধারণ শিক্ষার্থীরাও দাবি আদায়ের লক্ষ্যে তাদের গ্রহণ করেননি, যেন প্রশাসনিকভাবে এটিকে দলীয় আন্দোলন আখ্যা দিয়ে বানচাল না করতে পারে। কারণ, ২০১৮ সালের নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের সময় এমন বিষয় লক্ষ্য করা গিয়েছিল।

গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক সংগঠনগুলো সংস্কার অর্থ বুঝলেন, জনগণ শুধু নির্বাচনের মধ্য দিয়ে একটি বৈধ সরকার চায়। মৌলবাদী শক্তি তখন বুঝলেন, প্রতিষ্ঠানগুলোর নামের বদল করলেই এর সংস্কার হবে। কিন্তু জনগণ চেয়েছিলেন তাদের সুস্থ, স্বাভাবিকভাবে বেঁচে থাকার অধিকার। অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক সংগঠনগুলো এটা ভুলে যায় বলেই বারবার গণঅভ্যুত্থান বা বড় ধরনের গণআন্দোলনের সৃষ্টি হয়।

আওয়ামী লীগের শাসনামলে বিএনপি, জামায়াতসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠন সরকারকে চাপে ফেলতে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে নিজেরাই দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন। সে সময় ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের প্রভাব এতোটাই বেশি ছিল যে, ছাত্রদল, ছাত্রশিবির, ছাত্র ইউনিয়ন, ছাত্রফ্রন্টসহ বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন কাগজে-কলমে না হলেও বাস্তবে ক্যাম্পাসে ছিল নিষিদ্ধ। যেকোনো দলীয় কার্যক্রম ডাকা হলে তা হামলা করে বানচাল করে দেওয়া হতো। তাই ক্যাম্পাসজুড়ে ছাত্রলীগের আধিপত্য ছাড়া অন্য কারও ব্যানার পর্যন্ত খুঁজে পাওয়া যেত না। অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে ছাত্রদল ঘোষণা দিয়েছিল, সকল দল ক্যাম্পাসে রাজনীতি করতে পারবে; তারা ছাত্রলীগের সেই আধিপত্যবাদী একনায়কতন্ত্রের রাজনীতিকে প্রত্যাখ্যান করেন। সে সময় ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা প্রকাশ্যে রাজনীতিতে আসতে থাকে। নিজেদের কমিটি প্রকাশ করে। অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতির সুযোগ সবাই পেয়েছে। সে সময় একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আজাহারের কারাগার থেকে মুক্তির ঘটনাকে ঘিরে বামপন্থী সংগঠনগুলো বিভিন্ন ক্যাম্পাসে প্রতিবাদ করে। সে সময় তাদের ওপর ছাত্রশিবিরের হামলার ঘটনাও ঘটে। এতে বামপন্থী ছাত্রসংগঠনগুলোর অনেক নেতাকর্মী আহত হলেও হামলাকারীদের খুব একটা গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটেনি। এমন পরিস্থিতিতে ছাত্রদল বিবৃতির মাধ্যমে এর প্রতিবাদ ছাড়া ক্যাম্পাস রাজনীতিতে অনেকটাই নীরব ছিল।

বিএনপি সরকারের পাঁচ মাস অতিবাহিত হওয়ার পর সেই চিত্র এখন যেন একটু একটু করে বদলে যেতে শুরু করেছে। হবিগঞ্জে এনসিপির শীর্ষ নেতাকর্মীদের বক্তব্যের জেরে তাদের ওপর স্থানীয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সশস্ত্র হামলা করলো। সেখানে এনসিপির এক নেতার চোখ উপড়ে ফেলা হলো। এমন ঘটনায় প্রশাসনিকভাবে ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী গ্রেপ্তার হলেও কয়েকদিন পর তারা জামিনে বেরিয়ে এলেন।

দেশের বিভিন্ন স্থানে সরকারদলীয় কোনো কর্মকাণ্ডে এনসিপি সমালোচনামূলক বক্তব্য দিলে তার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল বের করতে দেখা যাচ্ছে। দুই-চার জায়গায় পোস্টার, ব্যানার ছিঁড়ে ফেলার ঘটনাও ঘটছে। সরকারদলীয় সংগঠনের শাসনব্যবস্থার যেকোনো কার্যক্রম সম্পর্কে যে কেউই মতামত বা বক্তব্য দিতে পারেন। কারণ, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে প্রতিটি নাগরিকের যেকোনো ধরনের মন্তব্য বা বক্তব্য দেওয়ার অধিকার থাকে। সরকারি দলের কাজ সেটি যৌক্তিক মন্তব্য বা বক্তব্যের মাধ্যমে একটি সমাধানে আসা। অথবা সমালোচিত বিষয়টি নিয়ে আত্মসমালোচনার মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান সম্পর্কে সচেতনতা শক্তপোক্ত করা। কিন্তু কোনো নাগরিক বা বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের বক্তব্যের জেরে সরকারি দল তাদের ওপর সশস্ত্র হামলা করতে পারে না। আবার সেই হামলার প্রতিবাদ মিছিলে বাধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে ট্রাক দিয়ে রাস্তা বন্ধ করে দিতে পারে না। এটা কোনো দিক দিয়েই গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার পক্ষে যায় না।

গত কয়েকদিন ধরে রংপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ চলছে। এতে শুধু ক্যাম্পাসই নয়, আশপাশের এলাকাও একধরনের রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রশিবির প্রমাণিত রাজাকারদের ছবি প্রদর্শনের সময় ছাত্রদল কেন নীরব ভূমিকা পালন করলেন? আর নির্বাচন-পরবর্তী সময়েই কেন তারা মুক্তিযুদ্ধের প্রতি এতটা টান অনুভব করছেন— এই প্রশ্নটি কিন্তু স্বাভাবিকভাবেই চলে আসে। তাছাড়া, যখন দেশের বিভিন্ন স্থানে মৌলবাদী শক্তি মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য ভাঙচুর করলো, সে সময় ছাত্রদল এত নীরব ছিল কেন?

তবে আজ তারাই কেন মারামুখী অবস্থানে রয়েছেন? এখানে কিছুটা স্পষ্ট, ক্যাম্পাসের আধিপত্য বিস্তারই তাদের একে-অপরকে প্রতিপক্ষ করে তুলেছে। আর এই আবহ ক্যাম্পাসগুলোতে থমথমে পরিবেশ তৈরি করেছে। এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে অনিরাপদ মনে করছেন। পুলিশ ১৪৪ ধারা জারি করেও সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনতে পারছেন না। এরই শেকড় ছড়িয়ে পড়ছে দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে। গতকাল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনায় দলীয় শিক্ষার্থীদের বাইরে সাধারণ শিক্ষার্থীরাও আহত হয়েছেন। সংবাদমাধ্যম থেকে জানা যায়, সেই হামলায় মোট আহতের সংখ্যা ৮০ জনে পৌঁছেছে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ সেনাবাহিনীকে হস্তান্তর ও অস্থায়ী আবাসন নিশ্চিতের দাবি-সম্বলিত প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করায় গতকাল দুপুরের দিকে ছাত্রদলের হামলার শিকার হন ছাত্রশিবির, ছাত্রশক্তি ও (মার্ক্সবাদী) সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি ইভান। এরপর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের জিএসকে ছাত্রদল হামলা করে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেয়। এখানে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন আসে, শিক্ষার্থীদের ভোটে নির্বাচিত জিএস যেখানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন, সেখানে সাধারণ শিক্ষার্থীরা কীভাবে ক্যাম্পাসে নিরাপদ থাকবেন?

আহত শিক্ষার্থী ও শিবিরকর্মীরা ন্যাশনাল মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের হামলার শিকার হন। গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য থেকে জানা যায়, চিকিৎসা নিতে আসা একজন রোগীকে শিবির ভেবে মারধর করে ছাত্রদল। এমন ছাত্ররাজনীতি পুরোপুরি জুলাই আন্দোলনের চেতনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির হয়তো ভুলে গিয়েছে, চব্বিশের আন্দোলনের একপর্যায়ে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভেই ছাত্রলীগ কলেজ ক্যাম্পাসগুলোর দখল হারাতে শুরু করে। সেই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে তারা চেয়েছিল শান্তিপূর্ণ ক্যাম্পাস। তবে আবারও কেন সেই ছাত্ররাজনীতির সহিংস রূপ ক্যাম্পাসে লক্ষ্য করা যাচ্ছে?

সেক্ষেত্রে প্রশ্ন ওঠে, তাহলে ছাত্রজনতার সেই গণঅভ্যুত্থান মাত্র দুই বছরেই ব্যর্থ হয়ে পড়লো!

Related Posts

বাংলাদেশ

বঙ্গোপসাগর থেকে হিমালয়: ভূ-রাজনীতির কেন্দ্রমূলে বাংলাদেশ

September 19, 2026
মতামত

শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও মুক্তচিন্তার শিক্ষাঙ্গন

September 14, 2026
মতামত

শিক্ষা যখন ক্ষমতার নয়, মুক্তির হাতিয়ার

September 12, 2026

সপ্তাহের সেরা

  • হাসিনা মামলায় শেষ সাক্ষীর জবানবন্দি কাল, রায় কবে?

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • এমপি গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর লাশ উদ্ধার

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • কাঠগড়ায় কাঁদলেন গাজী নজরুলের স্ত্রী মাকছুদা

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • মরিয়মের আত্মহত্যার নেপথ্যে মানসিক নিপীড়ন ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তা হরণ!

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • মসজিদের ভেতরে চেয়ার-টেবিল, সোফা বসিয়ে এমপির সভা: আলোচনা-সমালোচনার ঝড়

    0 shares
    Share 0 Tweet 0

সর্বশেষ খবর

রাজনীতি নিষিদ্ধ নর্থ সাউথে ছাত্রদলের কমিটি: ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ও চরম ক্ষোভ

September 25, 2026

ইরান যুদ্ধে মার্কিন নৌসেনাদের হতাশা, ৮ জনের আত্মহত্যার চেষ্টা

September 25, 2026

ড্রোন হামলার জবাবে আফগানিস্তানে ১০ স্থানে পাকিস্তানের হামলা, নিহত ৪

September 25, 2026
  • হোম
  • গোপনীয়তা নীতি
  • শর্তাবলি ও নীতিমালা
  • যোগাযোগ
ইমেইল: info@azadirdak.com

স্বত্ব © ২০২৪-২০২৫ আজাদির ডাক | সম্পাদক: মঈনুল ইসলাম খান | ৩, রাজউক এভিনিউ, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০

No Result
View All Result
  • হোম
  • বাংলাদেশ
  • রাজনীতি
    • বিএনপি
    • আওয়ামী লীগ
    • জামায়াত
    • এনসিপি
    • অন্যান্য
  • আন্তর্জাতিক
  • বিশ্লেষণ
  • মতামত
  • ইসলাম
  • খেলা
  • ফিচার
  • ফটো
  • ভিডিও
  • বিবিধ
    • শিক্ষাঙ্গণ

স্বত্ব © ২০২৪-২০২৫ আজাদির ডাক | সম্পাদক: মঈনুল ইসলাম খান | ৩, রাজউক এভিনিউ, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০

Exit mobile version