নাটোরের বড়াইগ্রামে বাসের কাউন্টার দখল ও যাত্রী ওঠানোকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষ চলাকালে দুটি বাস কাউন্টার, একটি চায়ের দোকান এবং তিনটি মোটরসাইকেল ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ ও র্যাব দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
বুধবার দুপুরে উপজেলার বনপাড়া বাইপাস এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়া দুটি গ্রুপই স্থানীয় বিএনপির সক্রিয় সমর্থক—যার এক পক্ষে রয়েছেন জেলা বিএনপির সদস্য লুৎফর রহমানের অনুসারীরা এবং অন্য পক্ষে রয়েছেন পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ইকবাল হোসেন রাজুর সমর্থকরা। আহতদের মধ্যে ওয়ার্ড বিএনপির স্থানীয় কয়েকজন সভাপতি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী রয়েছেন, যাদের তাৎক্ষণিকভাবে বড়াইগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত ঘটে মূলত মঙ্গলবার সন্ধ্যায়, যখন বনপাড়া বাইপাস মোড়ে বিআরটিসি কাউন্টার ও লোকাল বাস কাউন্টারের শ্রমিকদের মধ্যে যাত্রী তোলা নিয়ে বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তা সংঘাত পর্যন্ত পৌঁছায় এবং বিআরটিসি কাউন্টার ভাঙচুরসহ দুজন আহত হন। সেই ঘটনার জের ধরে বুধবার দুপুরে পুনরায় হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটলে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বর্তমানে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ ও র্যাব মোতায়েন করা হয়েছে। বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, এখন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে খবর পেয়ে বিকেলে জেলা যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের শীর্ষ নেতারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নেতাকর্মীদের শান্ত থাকার নির্দেশ দেন।







