সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করে জাতীয় রাজনীতিতে ব্যাপক আলোচনায় এসেছেন ময়মনসিংহ মহানগর যুব মহিলা লীগের আহ্বায়ক তামান্না চৌধুরী প্রিয়াংকা। রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ তুলে তিনি সম্প্রতি আদালতে এই মামলার আবেদন জানান।
তামান্না চৌধুরী প্রিয়াংকা দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় আওয়ামী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। ২০১৯ সালের ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে প্রার্থী হওয়ার মধ্য দিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে তাঁর পরিচিতি সুদৃঢ় হয়। ড. ইউনূসের মতো জাতীয় ব্যক্তিত্বের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের উদ্যোগ নিয়ে বর্তমানে তিনি সারা দেশে নতুন করে চর্চায় উঠে এসেছেন।
রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ হওয়ার পাশাপাশি দলটির অধিকাংশ নেতাকর্মী যখন আত্মগোপনে, তখন একজন নেত্রীর এমন প্রকাশ্য ভূমিকা স্থানীয় রাজনীতিতে কৌতূহল তৈরি করেছে। রাজনৈতিক সচেতন মহল মনে করছেন, রাজনীতি নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও এই ধরনের তৎপরতা নতুন কোনো উত্তাপ বা আইনশৃঙ্খলাগত জটিলতা তৈরি করছে কি না, সে বিষয়ে সতর্ক দৃষ্টি রাখা প্রয়োজন।
প্রসঙ্গত, ময়মনসিংহের আলোচিত রেদওয়ান হোসেন সাগর হত্যাকাণ্ডের ঘটনাতেও তামান্না চৌধুরী প্রিয়াংকার নাম স্থানীয়ভাবে চর্চায় রয়েছে। ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে মিন্টু কলেজ এলাকায় সাগর নিহত হন। সব মিলিয়ে, একদিকে হত্যা মামলার বিতর্ক ও অন্যদিকে সাবেক প্রধান উপদেষ্টার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে মামলার আবেদনের কারণে এই যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে কেন্দ্র করে নানামুখী আলোচনা চলছে।
