ইতালির রোমে নগরবাউল জেমসের কনসার্ট ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। কনসার্ট শেষে হোটেলের কক্ষ নোংরা করে রেখে যাওয়া এবং প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের মতো অভিযোগ তোলা হয়েছে জেমস ও তাঁর সফরসঙ্গীদের বিরুদ্ধে। বলা হচ্ছে, একটি কক্ষের অপরিচ্ছন্ন পরিবেশের জন্য বেস্ট ওয়েস্টার্ন হোটেল কর্তৃপক্ষ অন্তত ২০০ ইউরো অতিরিক্ত পরিচ্ছন্নতা ফি দাবি করেছে।
ভাইরাল হওয়া ছবি ও বার্তায় দেখা যায়, চেক-আউটের পর একটি অ্যাপার্টমেন্টের মেঝে ও ডাইনিং টেবিলে প্লাস্টিকের বোতল, পলিথিন ও খাবারের উচ্ছিষ্ট পড়ে ছিল। রান্নাঘরের সিঙ্কেও নোংরা থালা-বাসন ও কাঁচা ডিম দেখা যায়। তবে জেমসের মুখপাত্র রুবাইয়াত ঠাকুর রবিন এসব অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, জেমস যে কক্ষে ছিলেন সেখানে কোনো সমস্যা ছিল না; মূল অভিযোগটি উঠেছে দলের অন্য এক মিউজিশিয়ানের কক্ষ (৫৪৯ নম্বর) নিয়ে। ফলে একজনের ভুলের দায় জেমসের ওপর চাপানো অন্যায়।
হোটেল রিসিপশনে যোগাযোগ না করে লুকিয়ে চলে যাওয়ার অভিযোগও অস্বীকার করেছেন জেমসের প্রতিনিধি। রবিন বলেন, বিশাল দল ও ভারী বাদ্যযন্ত্র নিয়ে পালিয়ে যাওয়া অসম্ভব। আয়োজকদের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের জেরেই জেমসের মতো দেশের শীর্ষ তারকাকে ঘিরে এই মিথ্যাচার চালানো হচ্ছে। তারা যথাযথভাবেই সেখান থেকে পরবর্তী শো-এর জন্য ভেনিসে গেছেন।
অন্যদিকে, কনসার্টের অগ্রিম অর্থ ও টিকিট বিক্রির টাকা নিয়ে হিসাবের জটিলতা তৈরি হওয়ার দাবি করেছেন ইতালির স্থানীয় আয়োজক হোসাইন আহমেদ। এর জবাবে রবিন স্পষ্ট জানান, লিখিত চুক্তি অনুযায়ীই সবকিছু পরিচালনা করা হয়েছে। কোনো চুক্তিভঙ্গ হয়ে থাকলে আয়োজকরা আইনি পদক্ষেপ নিতে পারতেন; জেমস এখনও ইতালিতেই অবস্থান করছেন। জেমসের ভক্তদের মতে, কনসার্টের সাফল্য ঢাকতেই আয়োজক পক্ষ এমন বিতর্কের সৃষ্টি করেছে।
