মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে প্রবাসী বাংলাদেশি গ্রাহকদের লক্ষ্য করে পরিচালিত একটি অবৈধ যৌন ব্যবসার চক্রের সন্ধান পেয়েছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ (জেআইএম)। এ ঘটনায় এক বাংলাদেশি-থাই দম্পতি এবং তাঁদের সহায়তা করা স্থানীয় এক ‘ক্যাপ্টেন’ বা পাহারাদারসহ মোট ২৬ জনকে আটক করা হয়েছে।
কুয়ালালামপুরের কুচাই লামার একটি আবাসিক ভবন ও জালান গেলুগোরের একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে দুই সপ্তাহের গোপন নজরদারি শেষে ইমিগ্রেশন বিভাগের গোয়েন্দা শাখা এ অভিযান পরিচালনা করে। আটককৃতদের মধ্যে বিভিন্ন দেশের বিদেশি নারী ও পুরুষ ছাড়াও ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী ব্যক্তিরা রয়েছেন।
মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক জাকারিয়া শাবান জানান, আটক বিদেশিদের কারো কাছেই মালয়েশিয়ায় অবস্থানের বৈধ ভ্রমণ নথি বা ভিসা ছিল না। এই চক্রের মূল হোতা হিসেবে এক বাংলাদেশি পুরুষ ও থাই নারীকে সন্দেহ করা হচ্ছে, যারা কৌশলে নারী কর্মীদের পাসপোর্ট নিজেদের হেফাজতে রেখে তাঁদের যাতায়াত ও কাজ নিয়ন্ত্রণ করত।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে বিশেষ করে ক্লাং উপত্যকায় বসবাসকারী প্রবাসী বাংলাদেশি শ্রমিকদের আকৃষ্ট করা হতো। সার্ভিসভেদে গ্রাহকদের কাছ থেকে সর্বোচ্চ ২০০ থেকে ৪০০ রিঙ্গিত পর্যন্ত আদায় করা হতো এবং চক্রটি গত দুই মাস ধরে সক্রিয় ছিল।
অভিযানস্থল থেকে একাধিক পাসপোর্ট, বেশ কয়েকটি মোবাইল ফোন এবং অনৈতিক উপার্জন থেকে পাওয়া নগদ ১ হাজার ২১৫ রিঙ্গিত বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দেশটির ইমিগ্রেশন আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য ইমিগ্রেশন কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।







