বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ওটরা ইউনিয়নে জামায়াতে ইসলামীর একটি নৈশ ইবাদতের অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে জামায়াত ও বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে চকমান মসজিদে জামায়াতের ওই আয়োজনে স্থানীয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মো. রিয়াজসহ বিএনপির নেতাকর্মীরা গিয়ে বাধা দিলে এ উত্তেজনার সূত্রপাত হয়।
ঘটনার একপর্যায়ে পরিস্থিতি শান্ত করতে উভয় পক্ষের নেতাকর্মীরা রাতে আলোচনায় বসেন। এ সময় সংবাদ সংগ্রাহক হিসেবে সেখানে উপস্থিত ছিলেন ‘ইনসাফ টাইমস ২৪’-এর উজিরপুর উপজেলা প্রতিনিধি আর এ রাফি। রাত পৌনে ৯টার দিকে তিনি আলোচনার দৃশ্য ছবি তোলার চেষ্টা করলে বিএনপির নেতাকর্মীরা তাঁকে ক্যামেরা নামাতে বলেন। রাফি তাঁর পেশাগত পরিচয়পত্র দেখানোর পরও সাবেক জেলা ছাত্রদল নেতা মো. সুজনের নেতৃত্বে ১৫-২০ জন নেতাকর্মী তাঁর ওপর হামলা চালিয়ে লাথি ও ঘুষি মারেন।
হামলার শিকার সাংবাদিককে স্থানীয়রা উদ্ধার করে নিকটস্থ একটি মসজিদে আশ্রয় দেন। সেখানে প্রায় দেড় ঘণ্টা অবস্থানের পর তিনি বাড়ি ফেরেন। পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় পরিচয়পত্র দেখানোর পরও এমন হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ এবং তাঁরা দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।







