সিঙ্গাপুরে জন্মহার রেকর্ড পরিমাণে কমে প্রতি নারীর বিপরীতে মাত্র ০.৮৭ সন্তানে নেমে এসেছে। এই সংকট মোকাবেলায় পরিবারগুলোকে উৎসাহ দিতে সন্তানপ্রতি প্রায় ৭০ হাজার সিঙ্গাপুর ডলার (প্রায় ৬৭ লাখ টাকা) পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অর্থ সহায়তার পাশাপাশি অভিভাবকদের জন্য মাতৃত্ব ও পিতৃত্বকালীন ছুটির মেয়াদ বৃদ্ধি এবং আবাসন ক্ষেত্রে বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
টানা কম জন্মহারের কারণে সিঙ্গাপুর দ্রুত এক ‘অতি-বয়স্ক’ সমাজে রূপান্তরিত হতে চলেছে। বর্তমানে দেশটির মোট জনসংখ্যার ২১ শতাংশের বেশি মানুষের বয়স ৬৫ বছর বা তার চেয়ে বেশি, যা দেশের দীর্ঘমেয়াদী অর্থনীতি ও কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।
পরিস্থিতি নিয়ে সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী লরেন্স ওং স্বীকার করেছেন যে, কেবল আর্থিক প্রণোদনা দিয়ে এই সংকট পুরোপুরি কাটানো হয়তো সম্ভব হবে না। দেরিতে বিয়ে বা সন্তান নেওয়া, কর্মক্ষেত্রের অতিরিক্ত মানসিক চাপ এবং আধুনিক জীবনযাত্রার পরিবর্তনের কারণে মানুষ সন্তান নিতে আগ্রহী হচ্ছে না। ফলে জনসংখ্যা ও কর্মশক্তির এই সংকট সামাল দিতে পরিবারগুলোকে সামাজিক সহায়তা বাড়ানোর পাশাপাশি নিয়ন্ত্রিত অভিবাসন নীতি বজায় রাখার পরিকল্পনা করছে সিঙ্গাপুর সরকার।







