নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখার সাবেক গণযোগাযোগ ও উন্নয়নবিষয়ক সম্পাদক আরিফ ইশতিয়াক রাহুলকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে ঢাবি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় রাহুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে নারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে।
এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
বহিষ্কারের পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে প্রকাশ্যে হুমকি দেওয়ার অভিযোগেও রাহুল আলোচনায় এসেছিলেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে, রাহুলের করা টিএসসির ‘ফিমেল জোন’ সংক্রান্ত একটি ফেসবুক পোস্ট সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।
অভিযোগ উঠেছে, ওই পোস্টটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের বিভিন্ন নেতা-নেত্রী নিজেদের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে কপি-পেস্ট ও শেয়ার করছেন।
এ ছাড়া বিএনপির কিছু কর্মী-সমর্থক ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টও পোস্টটি শেয়ার করছেন বলে দাবি করা হয়েছে।
এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনৈতিক মহলে নানা ধরনের আলোচনা ও সমালোচনা দেখা দিয়েছে।
সমালোচকদের প্রশ্ন, যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগ রয়েছে এবং যিনি ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তার বক্তব্য বা পোস্ট কেন বর্তমান বিরোধী রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা প্রচার করছেন।
তবে রাহুলের ওই ফেসবুক পোস্টটি কেন বিভিন্ন ব্যক্তি শেয়ার করছেন, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ছাত্রদল নেতা-নেত্রী বা বিএনপির কর্মীদের কোনো বক্তব্য এখানে পাওয়া যায়নি।
ফলে পোস্টটি শেয়ার করার পেছনে তাদের উদ্দেশ্য বা অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাচ্ছে না।
টিএসসির ‘ফিমেল জোন’ নিয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন মতামত ও বিতর্ক রয়েছে। রাহুলের পোস্টটি সেই বিতর্ককে নতুন করে আলোচনায় এনেছে বলে সংশ্লিষ্টদের কেউ কেউ মনে করছেন।
বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য, পোস্ট শেয়ার এবং রাজনৈতিক বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে।







