ঢাকা-রংপুর লংমার্চের মাধ্যমে জামায়াতে ইসলামী পরিকল্পিতভাবে বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকালে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ আবু সাঈদের স্মৃতিবিজড়িত বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ নম্বর গেট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।
রাশেদ খাঁন দাবি করেন, স্থিতিশীল পরিবেশের মধ্যে লংমার্চের মতো হঠকারী কর্মসূচি দিয়ে জামায়াত পরোক্ষভাবে নিষিদ্ধ বা বিতাড়িত আওয়ামী লীগকে পুনরায় রাজনীতিতে ফেরার সুযোগ করে দিচ্ছে। ১৯৯৬ সালের মতো এবারও আওয়ামী লীগ ও জামায়াত বর্তমান বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনের নামে কোনো গোপন পরিকল্পনা করছে কি না—এমন প্রশ্ন তুলে তিনি সরকারকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টার বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
লংমার্চের কর্মসূচির সমালোচনা করে তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় প্রধান সড়ক বন্ধ রেখে সাত দফা দাবির নামে এমন কর্মসূচি রাজপথে সাধারণ মানুষের চরম ভোগান্তি বাড়াচ্ছে এবং দেশের অর্থনৈতিক ক্ষতি সাধন করছে। এ ছাড়া জামায়াত জোটের এক নেতার বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের গাড়ি ব্যবহার করে লংমার্চে অংশ নেওয়ারও অভিযোগ তোলেন তিনি।
তবে লংমার্চকে রাজনৈতিকভাবে অযৌক্তিক মনে করলেও বর্তমান সরকার ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল জানিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। এ সময় জেলা প্রশাসন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও গণসংগঠনের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।






