সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের ভেরিফিকেশনের নামে বাদ দেওয়ার অভিযোগে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
শনিবার বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ প্রতিক্রিয়া জানান।
পোস্টে শফিকুর রহমান লিখেছেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগে ‘ভুল রাজনীতির খেলা’ থেকে সরে এসে মেধাকে গুরুত্ব দিতে হবে। তাঁর ভাষায়, সরকারি চাকরিতে প্রবেশ রাজনৈতিক আনুগত্যের বিষয় নয়; একজন চাকরিপ্রার্থীর মেধা ও যোগ্যতাই হওয়া উচিত প্রধান বিবেচনা।
তিনি ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়ায় আগের সরকারের সময়কার কোনো অনিয়ম বা কৌশল অনুসরণ না করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ অব্যাহত রাখার কথা বলেন।
জামায়াত আমির আরও বলেন, মেধাবী যুবসমাজসহ তরুণদের নিজেদের অধিকার আদায়ে আবারও সোচ্চার হতে হবে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, এ বিষয়ে ছাড় দিলে দেশে মেধার মূল্যায়ন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই তিনি কোনো ধরনের ছাড় না দেওয়ার আহ্বান জানান।
