ফিফা আসিয়ান কাপের প্রথম আসরে বাংলাদেশ ফুটবল দলের ভরাডুবি ঘটেছে। টুর্নামেন্টের একটি ম্যাচেও জয়ের মুখ দেখতে পারেনি লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। গত বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) নিজেদের শেষ ম্যাচে স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়ার কাছে ৯-২ গোলের বিশাল ব্যবধানে লজ্জাজনক হারের মুখ দেখে থমাস ডুলির শিষ্যরা।
মাঠের এই বিপর্যস্ত পারফরম্যান্সের পরপরই বাংলাদেশ দলের দুই সিনিয়র ফুটবলার সাদ উদ্দিন ও জুনিয়র সোহেল রানার নাইটক্লাবে কাটানো সময়ের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। আলানা নামের এক ইন্দোনেশীয় নারীর এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট থেকে প্রকাশিত ভিডিও ও ছবিতে তিন নারীর সঙ্গে দুই ফুটবলারকে নাচগান ও আড্ডা দিতে দেখা যায়। দেশের এমন হারের মুহূর্তে এমন ভিডিও প্রকাশ পাওয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্রীড়াপ্রেমী ও নেটিজেনদের তীব্র ক্ষোভ ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
তবে অভিযুক্ত দুই ফুটবলার ঘটনাটিকে ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করেছেন। তাঁদের দাবি, ক্লাব মোহামেডানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরের পর জাতীয় দলের ক্যাম্প শুরুর আগে তাঁরা ছুটি কাটাতে নেপালে গিয়েছিলেন। সেই সময়েই একটি ক্লাবে ওই নারীর সঙ্গে পরিচয় হয়েছিল। প্রকাশিত দৃশ্যগুলো জাকার্তা বা ইন্দোনেশিয়ার কোনো নৈশক্লাবের নয় বলেও দাবি তাঁদের।
অন্যদিকে ইন্দোনেশীয় সেই নারী তাঁর এক্স পোস্টে উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের ফুটবলারদের সঙ্গে স্থানীয় একটি ক্লাবে তাঁর সাক্ষাৎ হয় এবং ইন্দোনেশিয়া-বাংলাদেশ ম্যাচটি দেখার জন্য ফুটবলাররা তাঁকে আমন্ত্রণও জানিয়েছিলেন। ঘটনাটি ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক নিয়ে বাংলাদেশ ফুটবল দলের ম্যানেজার আমিরুল ইসলাম বাবু জানান, ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের পর খেলোয়াড়দের রাতে নিজ কক্ষে থাকার নির্দেশনা ছিল। তবে নির্দেশ অমান্য করে কেউ বাইরে গিয়ে অপরাধে জড়িয়ে থাকলে ডিসিপ্লিনারি কমিটির মাধ্যমে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।







