কন্টেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড সংক্রান্ত সংবাদে তাঁকে ‘সালমানের শ্বশুর’ হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেওয়ায় তীব্র আপত্তি ও ক্ষোভ জানিয়েছেন কানাডাপ্রবাসী ব্যবসায়ী শেখ নূর ইসলাম। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, সালমান মুক্তাদিরের সঙ্গে মেয়ে দিশা ইসলামের বিয়ে তিনি বা তাঁর পরিবার মেনে নেননি। একই সাথে সম্প্রতি র্যাবের অভিযানে সিলগালা হওয়া ‘টসবন্ড’ ওয়্যারহাউসের সাথে নিজের বা পরিবারের কোনো প্রকার সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করেছেন তিনি।
গত শনিবার ফু-ওয়াং বোলিং অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির হেড অব অপারেশন মোহাম্মদ ফয়জুল করিম স্বাক্ষরিত এক লিখিত প্রতিবাদ ও স্পষ্টীকরণ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবাদপত্রে উল্লেখ করা হয়, বিয়ের পর থেকেই সালমান মুক্তাদির ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সাথে শেখ নূর ইসলামের পরিবারের যাবতীয় সামাজিক ও পারিবারিক সম্পর্ক পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন। এমন পরিস্থিতিতে সালমানের কোনো ব্যক্তিগত, সামাজিক, বাণিজ্যিক বা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের সংবাদে শেখ নূর ইসলামকে ‘সালমানের শ্বশুর’ পরিচয়ে উপস্থাপন করাকে অত্যন্ত অনভিপ্রেত, অসত্য ও অশোভন বলে আখ্যা দেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি গুলশানে অভিযান চালিয়ে সিলগালা করা টসবন্ড প্রাইভেট লিমিটেডের ওয়্যারহাউসের মালিকানা প্রসঙ্গে শেখ নূর ইসলাম জানান, এই প্রতিষ্ঠানের সাথে তাঁর পরিবারের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ কোনো মালিকানা বা স্বার্থ নেই। নিজের বাণিজ্যিক পরিধির ব্যাখ্যায় তিনি জানান, বাংলাদেশে ফু-ওয়াং বোলিং অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড ছাড়া তাঁর অন্য কোনো মদের বার, ওয়্যারহাউস বা ডিপ্লোমেটিক বন্ডেড হাউস নেই। তিনি কানাডার নাগরিক এবং ৪৬ বছর ধরে সেখানে বসবাস করে রেমিট্যান্সের মাধ্যমে দেশে বৈধ রেস্তোরাঁ ও কৃষিভিত্তিক ব্যবসা পরিচালনা করছেন।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার রাতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) নেতৃত্বে শুল্ক গোয়েন্দা ও স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের (এসআরবি) যৌথ দল গুলশানের টসবন্ড প্রাইভেট লিমিটেডের বন্ডেড ওয়্যারহাউসে অভিযান চালিয়ে তা সিলগালা করে। পরদিন ডিএনসির মহাপরিচালক মো. হাসান মারুফের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রকাশিত সংবাদে ওয়্যারহাউসটির মালিক হিসেবে নূর ইসলামের নাম উঠে আসায় এই লিখিত প্রতিবাদ জানানো হলো।







