কুষ্টিয়ায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন দলটির দুই নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলম। রোববার (৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় কুষ্টিয়ায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
ঘটনাস্থলে থাকা জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতা নাইম আবেদিন হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি দাবি করেন, একটি মাজারের ভেতরে প্রবেশ করে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয়েছে। পরে প্রশাসন এবং স্থানীয় এনসিপি ও ছাত্রশক্তির নেতারা ঘটনাস্থলে গিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিতের চেষ্টা করেন।
হাসনাতের প্রতিক্রিয়া
হামলার পর এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে দাবি করেন, কুষ্টিয়ায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর এটি বিএনপি সরকারের সময়ে পঞ্চম হামলার ঘটনা।
তিনি বলেন, বারবার হামলা, ভয়ভীতি বা দমন-পীড়নের মাধ্যমে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কণ্ঠ স্তব্ধ করা সম্ভব নয়। হামলা চালিয়ে অতীতেও পাটওয়ারীদের থামানো যায়নি, ভবিষ্যতেও যাবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।
হাসনাত আরও বলেন, ন্যায়, অধিকার ও আজাদির যে আন্দোলন শুরু হয়েছে, কোনো বাধাই তা থামাতে পারবে না। সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে তাদের সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে।
সারজিসের অভিযোগ
এ ঘটনায় ফেসবুকে প্রতিক্রিয়া জানান এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমও। তিনি দাবি করেন, বিএনপি সরকার গঠনের পর নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর এটি পঞ্চম হামলা।
সারজিস প্রশ্ন তোলেন, একজন নেতাকে কতটা ভয় পেলে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়তে পারেন।
তিনি অভিযোগ করেন, কুষ্টিয়ায় একটি মাজারের ভেতরে প্রবেশ করে পাটওয়ারীসহ এনসিপির নেতাকর্মীদের ওপর সশস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। হামলাকারীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি জানান তিনি।
সারজিসও বলেন, ভয়ভীতি বা দমন-পীড়ন চালিয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কণ্ঠ স্তব্ধ করা যাবে না।
তবে হামলার অভিযোগ ও এর সঙ্গে কারা জড়িত—এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আনুষ্ঠানিক তদন্ত ও বক্তব্যই চূড়ান্তভাবে বিষয়টি স্পষ্ট করবে।







