ভারতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়া কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটনের মরদেহ বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে দেশে আনা হয়েছে। রোববার (১১ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট দিয়ে স্বজনদের কাছে তাঁর মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।
বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুর রহমান জানান, ভারতের আইনি প্রক্রিয়া শেষে রোটনের স্ত্রী আরেফা সুলতানা বেনাপোলে তাঁর মরদেহ গ্রহণ করেন। এর আগে শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল ৭টার দিকে কলকাতার অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান রোটন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ দিন ধরে ফুসফুসের ক্যানসারে ভুগছিলেন রোটন এবং গত ছয় দিন ধরে তিনি কলকাতার অ্যাপোলো হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন ছিলেন। ভারতে দীর্ঘ দুই বছরের বেশি সময় ধরে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন তিনি। রোটনের মরদেহ ঢাকায় নিয়ে প্রাথমিক জানাজা শেষে তাঁর গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের রাউজানে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, সেখানে পারিবারিক গোরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে।
উল্লেখ্য, ২০০৬ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করা মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন পরবর্তীতে কার্যক্রমনিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের রাজনীতিতেও সক্রিয় ছিলেন। ২০২১ সালে তিনি আওয়ামী লীগের শ্রম ও জনশক্তিবিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য মনোনীত হন।







