Thursday, October 15, 2026
আজাদির ডাক
  • হোম
  • বাংলাদেশ
  • রাজনীতি
    • বিএনপি
    • আওয়ামী লীগ
    • জামায়াত
    • এনসিপি
    • অন্যান্য
  • আন্তর্জাতিক
  • বিশ্লেষণ
  • মতামত
  • ইসলাম
  • খেলা
  • ফিচার
  • ফটো
  • ভিডিও
  • বিবিধ
    • শিক্ষাঙ্গণ
No Result
View All Result
আজাদির ডাক
  • হোম
  • বাংলাদেশ
  • রাজনীতি
    • বিএনপি
    • আওয়ামী লীগ
    • জামায়াত
    • এনসিপি
    • অন্যান্য
  • আন্তর্জাতিক
  • বিশ্লেষণ
  • মতামত
  • ইসলাম
  • খেলা
  • ফিচার
  • ফটো
  • ভিডিও
  • বিবিধ
    • শিক্ষাঙ্গণ
No Result
View All Result
আজাদির ডাক
No Result
View All Result
Home রাজনীতি অন্যান্য

আসন বণ্টন নিয়ে জামায়াত-ইসলামী আন্দোলনের সমঝোতা ভাঙার দাবি মামুনুল হকের

October 15, 2026
A A
আসন বণ্টন নিয়ে জামায়াত-ইসলামী আন্দোলনের সমঝোতা ভাঙার দাবি মামুনুল হকের

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের রাজনৈতিক অবস্থান, ইসলামপন্থী দলগুলোর নির্বাচনী ঐক্য, আসন বণ্টন এবং জুলাই বিপ্লবের চেতনা নিয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন দলটির আমির শায়খুল হাদিস আল্লামা মামুনুল হক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া তাঁর বক্তব্যে দলটির নির্বাচনী জোটে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সঙ্গে মতপার্থক্য এবং জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতার বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে।

বক্তব্যে মামুনুল হক জানান, ইসলামপন্থী রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হলেও শুরু থেকেই সব দলের রাজনৈতিক অবস্থান ও নির্বাচনী কৌশল এক ছিল না। হেফাজতে ইসলামের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট দলগুলোকে আলোচনার মাধ্যমে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছিল। তবে তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, নির্বাচনের আগ পর্যন্ত ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সেই আহ্বানে যথাযথ সাড়া দেয়নি। পরে বিকল্প উপায়ে ইসলামপন্থী দলগুলোর মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

এ পর্যায়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলামসহ সমমনা দলগুলোর মধ্যে একাধিক বৈঠক হয়। সেখানে নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধভাবে অংশগ্রহণ এবং কোন রাজনৈতিক পক্ষের সঙ্গে সমঝোতা করা হবে, তা নিয়ে আলোচনা হয়।

মামুনুল হকের বক্তব্য অনুযায়ী, আলোচনার সময় জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম তাদের অবস্থান পরিষ্কার করে জানায়, জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে নির্বাচনী সমঝোতার পরিকল্পনা থাকলে তারা তাতে অংশ নেবে না। তবে নিজেদের মধ্যে ঐক্যবদ্ধ হয়ে বিএনপির সঙ্গে নির্বাচনী সমঝোতার উদ্যোগ নেওয়া হলে তারা আগ্রহী ছিল।

অন্যদিকে, তাঁর দাবি, সে সময় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অবস্থান বিএনপির প্রতি অত্যন্ত বিরোধিতাপূর্ণ ছিল। এই অবস্থানের কারণে দলটির সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক ঘনিষ্ঠতা বাড়তে থাকে। জামায়াতের আমিরের চরমোনাই সফর, সেখানে তাঁকে অভ্যর্থনা জানানো এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসমাবেশে জামায়াতের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণকে দুই দলের ঘনিষ্ঠতার প্রকাশ্য উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

তাঁর বক্তব্যে বলা হয়, দুই দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে মাঠপর্যায়ে সমন্বয় ও পারস্পরিক ঘনিষ্ঠতাও তৈরি হয়েছিল। একপর্যায়ে রাজনৈতিক প্রতীক নিয়ে একসঙ্গে স্লোগান এবং ঐক্যের পক্ষে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডও দেখা যায়। তবে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে পরিস্থিতি আরও গভীরভাবে যাচাই-বাছাই করছিল বলে জানান মামুনুল হক।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নির্বাচনী ঐক্যে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিষয়টি শুধু কোনো একটি দলের সঙ্গে জোট গঠনের প্রশ্ন ছিল না। দেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কাঠামো, ইসলামপন্থী দলগুলোর সম্মিলিত সক্ষমতা, নিজস্ব সাংগঠনিক অগ্রগতি এবং জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী রাজনৈতিক বাস্তবতাও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছিল।

মামুনুল হক জানান, এ বিষয়ে প্রথমে দলের নির্বাহী পরিষদে আলোচনা হয়। পরে প্রায় দুই শতাধিক দায়িত্বশীলের অংশগ্রহণে মজলিসে শূরার বৈঠকে সম্ভাব্য রাজনৈতিক পথগুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়। এরপর কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের মতামতের বাইরে গিয়ে তৃণমূলের মতামত নেওয়ার জন্য সাধারণ পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করা হয়।

আরওপড়ুন

আকাবিরের আদর্শ ও আমাদের রাজনীতির পর্যালোচনা

কুমিল্লায় এবি পার্টির হামলাকে জামায়াতের কোন্দল বলে অপপ্রচার, অব্যাহতি এবি পার্টির আহ্বায়ক সামদানী

তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ওই অধিবেশনে প্রায় দেড় হাজার দায়িত্বশীল অংশ নেন। তাঁদের সামনে সম্ভাব্য রাজনৈতিক বিকল্পগুলো তুলে ধরে মতামত ও পরামর্শ চাওয়া হয়। উপস্থিত ব্যক্তিদের মধ্যে প্রায় ৯৫ শতাংশ দেওবন্দী ধারার আলেম ছিলেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

মামুনুল হকের দাবি, এসব আলোচনা ও পর্যালোচনার পর ইসলামপন্থী রাজনৈতিক দলগুলোর সম্মিলিত নির্বাচনী ঐক্যে অংশ নেওয়াকে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের জন্য অধিকতর কল্যাণকর মনে করা হয়। তাঁর ভাষ্য, সিদ্ধান্তটি কোনো একক ব্যক্তির ইচ্ছায় নেওয়া হয়নি; বরং বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীলদের মতামত ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করেই নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচনী আসন বণ্টন নিয়ে নিজেদের কৌশল ব্যাখ্যা করতে গিয়ে মামুনুল হক বলেন, অতীত অভিজ্ঞতা থেকে তাঁরা উপলব্ধি করেছেন, সাংগঠনিক শক্তি ও জয়ের সম্ভাবনার তুলনায় বেশি আসন দাবি করলে অনেক সময় দুর্বল আসনে প্রার্থী দিতে হয়। এতে নির্বাচনী ফলাফলের পাশাপাশি দলের সাংগঠনিক শক্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

এ কারণে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস প্রাথমিকভাবে ৩০ থেকে ৩৫টি আসনের একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা তৈরি করেছিল বলে জানান তিনি। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, যেসব আসনে দলের সাংগঠনিক ভিত্তি, গ্রহণযোগ্যতা ও নির্বাচনী সম্ভাবনা তুলনামূলকভাবে শক্তিশালী, সেগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়াই ছিল এই কৌশলের উদ্দেশ্য।

তিনি বলেন, প্রথমে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সঙ্গে আসন নিয়ে সমন্বয়ের চেষ্টা করা হয় এবং দলটির কাছে প্রার্থী তালিকা হস্তান্তর করা হয়। তবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ তাদের নিজস্ব অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেনি বলে অভিযোগ করেন তিনি। একই সময়ে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মধ্যে আসন বণ্টন নিয়ে আলোচনা চলছিল।

মামুনুল হকের ভাষ্য অনুযায়ী, আসনসংখ্যা নিয়ে দুই দলের দরকষাকষি একপর্যায়ে জটিল হয়ে ওঠে। ৫০টি নাকি ১০০টি আসন নিয়ে সমঝোতা হবে, তা নিয়ে মতপার্থক্য তৈরি হয় এবং শেষ পর্যন্ত তাদের পারস্পরিক সমঝোতা ভেঙে পড়ে।

তিনি আরও বলেন, ইসলামপন্থী দলগুলোর সম্মিলিত নির্বাচনী জোট নিয়ে মানুষের মধ্যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পর ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্য থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়।

তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আসন বণ্টন নিয়ে আলোচনা চলমান থাকায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রায় পৌনে তিনশ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিল। অন্যদিকে, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের বেশ কিছু আসন নিয়ে সমন্বয়ের অগ্রগতি হওয়ায় দলটি প্রায় ৭০টি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেয়। ফলে দুই দলের নির্বাচনী প্রস্তুতি ও প্রার্থীর সংখ্যায় বড় পার্থক্য তৈরি হয়।

১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্য থেকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সরে দাঁড়ানোর পর দলটির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সমঝোতার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয় বলে জানান মামুনুল হক। তবে তাঁর মতে, নির্বাচনে দলীয়ভাবে প্রাপ্ত ভোটের শতকরা হার গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় শুধু দুই দলের মধ্যে সমঝোতা হলে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ক্ষতির মুখে পড়তে পারত।

তিনি বলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বিপুলসংখ্যক আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিলেও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস তুলনামূলকভাবে অনেক কম আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিল। এ অবস্থায় শুধু দুই দলের মধ্যে সমঝোতা হলে ভোটের অনুপাত ও সামগ্রিক নির্বাচনী বাস্তবতার বিবেচনায় তাঁদের দলের রাজনৈতিক অবস্থান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা ছিল।

মামুনুল হক আরও জানান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ একজন শীর্ষ আলেম ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্য থেকে দলটির সরে যাওয়ার সিদ্ধান্তে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। তাঁর উদ্যোগে মামুনুল হককে সঙ্গে নিয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও নায়েবে আমিরের সঙ্গে একান্ত বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানানো হয়েছিল। তবে তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, পীর সাহেব চরমোনাই সিদ্ধান্ত পরিবর্তনে রাজি হননি।

এই অভিজ্ঞতার আলোকে মামুনুল হক বলেন, রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে আবেগ, তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া কিংবা কোনো একটি পক্ষের প্রতি অনমনীয় মনোভাবের পরিবর্তে বাস্তবতা, দূরদর্শিতা ও দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক কল্যাণকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

জুলাই বিপ্লবের চেতনা, জুলাই সনদ ও গণভোটকে নিজেদের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের অন্যতম ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করেন মামুনুল হক। তাঁর মতে, জুলাই বিপ্লবের পর দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় শুধু নির্বাচনী সমীকরণ বা দলীয় স্বার্থের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া যথেষ্ট নয়। বরং বৈষম্যহীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা, রাষ্ট্রীয় সংস্কার এবং জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের প্রশ্নও বিবেচনায় রাখতে হবে।

তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো জুলাই সনদ ও গণভোটের বিষয়ে কী অবস্থান নিয়েছে, বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে তাদের ভূমিকা কী এবং ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রব্যবস্থা সংস্কারে তাদের অবস্থান কেমন—এসব বিষয় তাঁদের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এ বিষয়ে নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে তিনি ‘জুলাই কেন আমাদের লড়াই?’ নামে একটি পুস্তিকাও লিখেছেন বলে জানান।

নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে চলমান সমালোচনার জবাব দিতে গিয়ে মামুনুল হক বলেন, তাঁরা গঠনমূলক সমালোচনাকে স্বাগত জানান। তবে তাঁর প্রত্যাশা, সমালোচনা হওয়া উচিত দলের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া, রাজনৈতিক যুক্তি, জুলাই সনদ, গণভোট এবং নির্বাচনী বাস্তবতা বিশ্লেষণের ভিত্তিতে।

তাঁর অভিযোগ, কিছু ক্ষেত্রে যুক্তিনির্ভর সমালোচনার পরিবর্তে ব্যক্তির পরিচিতি, প্রভাব কিংবা আবেগকে সামনে রেখে চাপ সৃষ্টির প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সিদ্ধান্ত ভুল মনে হলে তার দুর্বলতা তথ্য ও যুক্তির মাধ্যমে তুলে ধরার আহ্বান জানান তিনি।

জোট রাজনীতি প্রসঙ্গে মামুনুল হক বলেন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক পক্ষের সঙ্গে সব পরিস্থিতিতে জোট করার বা অন্য কোনো পক্ষের সঙ্গে কখনোই জোট না করার মতো আগাম অনড় অবস্থান নিতে চায় না। তাঁর মতে, আদর্শের প্রশ্নে দৃঢ় থেকেও রাজনৈতিক কৌশল নির্ধারণে উদারতা, বাস্তবতাবোধ ও দূরদর্শিতা থাকা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে একটি বিষয়ে মতৈক্য থাকলেই সব বিষয়ে একমত হতে হবে, এমন নয়। আবার কোনো বিষয়ে মতপার্থক্য থাকলেই সব ধরনের রাজনৈতিক সহযোগিতার পথ বন্ধ করে দেওয়াও যুক্তিসংগত নয়। রাজনৈতিক আদর্শ ও কৌশলগত সিদ্ধান্তের মধ্যে পার্থক্য বুঝে পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি বলে মনে করেন তিনি।

নিজেদের জোটনীতির পক্ষে যুক্তি তুলে ধরতে গিয়ে মামুনুল হক কায়েদে ইসলাম মাওলানা আতহার আলী, খতিবে আজম মাওলানা সিদ্দিক আহমদ, শায়খুল হাদিস আল্লামা আজিজুল হক ও মুফতি আমিনীর রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে পাকিস্তান জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের নেতা মাওলানা ফজলুর রহমানের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন থেকেও শিক্ষা নেওয়ার কথা বলেন তিনি।

তাঁর মতে, এসব রাজনৈতিক পূর্বসূরির অভিজ্ঞতা থেকে বোঝা যায়, আদর্শের প্রতি অবিচল থাকার পাশাপাশি রাজনৈতিক বাস্তবতা গভীরভাবে বুঝে কৌশল নির্ধারণ করতে হয়। কখনো সমঝোতা, কখনো সহযোগিতা, কখনো বিরোধিতা এবং কখনো স্বতন্ত্র অবস্থান গ্রহণের প্রয়োজন হতে পারে। কোন পরিস্থিতিতে কোন পথ গ্রহণ করা উচিত, তা নির্ধারণ করতে হয় সামগ্রিক কল্যাণের বিবেচনায়।

বক্তব্যের শেষাংশে মামুনুল হক বলেন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের রাজনৈতিক অবস্থান বুঝতে হলে দলটির সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া, নির্বাচনী কৌশল, জুলাই বিপ্লব ও জুলাই সনদ নিয়ে দৃষ্টিভঙ্গি এবং ইসলামপন্থী রাজনীতির দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য একসঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।

তিনি দাবি করেন, তাঁদের সিদ্ধান্ত কোনো আকস্মিক পদক্ষেপ নয়; বরং দীর্ঘ আলোচনা, সাংগঠনিক পরামর্শ এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনার মধ্য দিয়ে নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দেশের ভবিষ্যৎ, ইসলামপন্থী রাজনীতির বিকাশ, আলেম সমাজের রাজনৈতিক ভূমিকা এবং বৈষম্যহীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষাকে সামনে রেখেই দলটি নিজেদের অবস্থান নির্ধারণ করেছে বলে জানান তিনি।

সবশেষে মামুনুল হক সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দল, নেতা ও সমালোচকদের প্রতি তথ্য, যুক্তি ও বিশ্লেষণনির্ভর আলোচনার আহ্বান জানান। তাঁর বক্তব্য, রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের যথার্থতা ব্যক্তির প্রভাব বা সামাজিক চাপ দিয়ে নয়, বরং সিদ্ধান্তের পেছনের যুক্তি, বাস্তবতা ও পরিণতি বিবেচনা করেই মূল্যায়ন করা উচিত।

Related Posts

আকাবিরের আদর্শ ও আমাদের রাজনীতির পর্যালোচনা
অন্যান্য

আকাবিরের আদর্শ ও আমাদের রাজনীতির পর্যালোচনা

October 15, 2026
কুমিল্লায় এবি পার্টির হামলাকে জামায়াতের কোন্দল বলে অপপ্রচার, অব্যাহতি এবি পার্টির আহ্বায়ক সামদানী
অন্যান্য

কুমিল্লায় এবি পার্টির হামলাকে জামায়াতের কোন্দল বলে অপপ্রচার, অব্যাহতি এবি পার্টির আহ্বায়ক সামদানী

October 15, 2026
পাকিস্তানে স্কুলের ছাদ ধসে ২৮ শিশু ও শিক্ষকের মৃত্যু
আন্তর্জাতিক

পাকিস্তানে স্কুলের ছাদ ধসে ২৮ শিশু ও শিক্ষকের মৃত্যু

October 15, 2026

সপ্তাহের সেরা

  • হানিট্র্যাপে ফেলেছিলেন মেজর জেনারেলসহ ৮ কর্মকর্তাকে: কে এই গুলশান আরা?

    হানিট্র্যাপে ফেলেছিলেন মেজর জেনারেলসহ ৮ কর্মকর্তাকে: কে এই গুলশান আরা?

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • নিজের স্ত্রীর জীবনের নিরাপত্তার আশঙ্কায় প্রকাশ্যে মির্জা আব্বাস-পুত্র

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • তাজমিনের হাতেও ছিল আইফোন, কললিস্ট ধরে উঠে এল নতুন তথ্য

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • হাসিনা মামলায় শেষ সাক্ষীর জবানবন্দি কাল, রায় কবে?

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিএনপি প্রার্থীর ‘গোপন বৈঠক’!

    0 shares
    Share 0 Tweet 0

সর্বশেষ খবর

আকাবিরের আদর্শ ও আমাদের রাজনীতির পর্যালোচনা

আকাবিরের আদর্শ ও আমাদের রাজনীতির পর্যালোচনা

October 15, 2026
আসন বণ্টন নিয়ে জামায়াত-ইসলামী আন্দোলনের সমঝোতা ভাঙার দাবি মামুনুল হকের

আসন বণ্টন নিয়ে জামায়াত-ইসলামী আন্দোলনের সমঝোতা ভাঙার দাবি মামুনুল হকের

October 15, 2026
মধ্যপ্রাচ্যে নৈতিক অবস্থান হারিয়েছে ইসরাইল: বারাক ওবামা

মধ্যপ্রাচ্যে নৈতিক অবস্থান হারিয়েছে ইসরাইল: বারাক ওবামা

October 15, 2026
  • হোম
  • গোপনীয়তা নীতি
  • শর্তাবলি ও নীতিমালা
  • যোগাযোগ
ইমেইল: [email protected]

স্বত্ব © ২০২৪-২০২৫ আজাদির ডাক | সম্পাদক: মঈনুল ইসলাম খান | ৩, রাজউক এভিনিউ, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০

No Result
View All Result
  • হোম
  • বাংলাদেশ
  • রাজনীতি
    • বিএনপি
    • আওয়ামী লীগ
    • জামায়াত
    • এনসিপি
    • অন্যান্য
  • আন্তর্জাতিক
  • বিশ্লেষণ
  • মতামত
  • ইসলাম
  • খেলা
  • ফিচার
  • ফটো
  • ভিডিও
  • বিবিধ
    • শিক্ষাঙ্গণ

স্বত্ব © ২০২৪-২০২৫ আজাদির ডাক | সম্পাদক: মঈনুল ইসলাম খান | ৩, রাজউক এভিনিউ, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০