Sunday, October 18, 2026
  • হোম
  • বাংলাদেশ
  • রাজনীতি
    • বিএনপি
    • আওয়ামী লীগ
    • জামায়াত
    • এনসিপি
    • অন্যান্য
  • আন্তর্জাতিক
  • বিশ্লেষণ
  • মতামত
  • ইসলাম
  • খেলা
  • ফিচার
  • ফটো
  • ভিডিও
  • বিবিধ
    • শিক্ষাঙ্গণ
No Result
View All Result
  • হোম
  • বাংলাদেশ
  • রাজনীতি
    • বিএনপি
    • আওয়ামী লীগ
    • জামায়াত
    • এনসিপি
    • অন্যান্য
  • আন্তর্জাতিক
  • বিশ্লেষণ
  • মতামত
  • ইসলাম
  • খেলা
  • ফিচার
  • ফটো
  • ভিডিও
  • বিবিধ
    • শিক্ষাঙ্গণ
No Result
View All Result
No Result
View All Result
Home বাংলাদেশ

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি: কোন পথে আমরা?

মঈনুল ইসলাম খান

October 18, 2026
A A
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি: কোন পথে আমরা?

কখনও কি খেয়াল করে দেখেছেন, সকালের খবরের কাগজটা হাতে নিলেই আজকাল বুকটা একটু কেঁপে ওঠে? চায়ের কাপে চুমুক দেওয়ার আগেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে একের পর এক অপরাধের খবর। খুন, রাহাজানি, ছিনতাই আর মারামারির ঘটনা যেন আমাদের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় চোখ রাখলে একের পর এক অপরাধের যে চিত্র ফুটে ওঠে, তা সত্যিই শঙ্কার। রাস্তাঘাটে চলাফেরা থেকে শুরু করে ব্যবসা-বাণিজ্য সবক্ষেত্রেই যেন এক ধরনের অস্থিরতা বিরাজ করছে। সন্ধ্যার পর অচেনা গলিতে পা বাড়াতে এখন বুক কাঁপে। এটাই কি আমাদের কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ? দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির এই অবনতি নিয়ে আজ একটু খোলামেলা আলোচনা করা প্রয়োজন।

সকালে ঘুম থেকে উঠে অনেকেই এখন আর দিনের পরিকল্পনা দিয়ে শুরু করেন না, বরং ভাবেন আজ রাস্তায় কোনো ঝামেলা হবে কি না। ঢাকার মতো মেগাসিটি থেকে শুরু করে মফস্বল শহর—সব জায়গাতেই সাধারণ মানুষের মনে এক ধরনের অদৃশ্য ভয় কাজ করছে। ছিনতাইকারীরা এখন এতটাই বেপরোয়া যে, প্রকাশ্য দিবালোকে মানুষের হাত থেকে মোবাইল বা ব্যাগ কেড়ে নেওয়া যেন ডালভাত। ফুটপাত হোক বা রিকশা, কোথাও আর স্বস্তি নেই। পাড়ায়-মহল্লায় ছোটখাটো মারামারি থেকে শুরু করে বড় ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের হার আগের চেয়ে বেড়েছে বলে প্রতীয়মান।

রাতের বেলা ফাঁকা রাস্তায় চলাফেরা করা তো এখন প্রায় অসম্ভব এক ব্যাপার। মানুষের এই নিরাপত্তাহীনতা শুধু ব্যক্তিগত পর্যায়ে আটকে নেই, এর প্রভাব পড়ছে পুরো সমাজে। যখন সাধারণ মানুষ নিজের এলাকায় বা নিজের ঘরে নিরাপদ বোধ করে না, তখন পুরো সমাজব্যবস্থায় এক ধরনের ভীতিকর সমাজের রূপ লাভ করে। সবাই একধরনের আত্মরক্ষামূলক মনোভাব নিয়ে চলছেন। অথচ একটি সুস্থ ও সভ্য সমাজে প্রতিটি নাগরিকের মুক্তভাবে চলাফেরা করার অধিকার থাকার কথা।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির এই অবনতির পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখছে নানা ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড। ছোটখাটো অপরাধ থেকে শুরু করে বড় ধরনের অপরাধমূলক চক্রগুলো এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি সক্রিয়। রাজনৈতিক পটপরিবর্তন বা প্রশাসনিক পরিবর্তনের সুযোগ নিয়ে অপরাধীরা নানাভাবে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। সাধারণ মানুষ বুঝতে পারছে না কার কাছে গেলে নিরাপত্তা মিলবে।

এসব সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড শুধু বড় অপরাধীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, অনেক ক্ষেত্রে কিশোর গ্যাংয়ের মতো উঠতি বয়সীরাও এর সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে। পাড়ায়-মহল্লায় হুলস্থুল কাণ্ড, ছোটখাটো বিষয় নিয়ে বড় সংঘর্ষ এবং অস্ত্রের মহড়া সাধারণ মানুষের জীবনকে বিষিয়ে তুলছে। পাড়ার মোড়ে মোড়ে আড্ডা দেওয়া বখাটেদের ভয়ে মুরুব্বিরাও অনেক সময় মুখ খুলতে সাহস পান না।

সরকারের জনৈক মন্ত্রীর তরফ থেকে ‘সমঝোতা’ নামক সনদপ্রাপ্ত চাঁদাবাজিতে সাধারণ মানুষ যেভাবে নাজেহাল হচ্ছে, তা সত্যিই উদ্বেগের বিষয়। ফুটপাতের ক্ষুদ্র বিক্রেতা থেকে শুরু করে বড় শিল্পপতি সবাইকেই কমবেশি এই হয়রানির মুখে পড়তে হচ্ছে। রাস্তাঘাটে মালবাহী ট্রাক আটক করে টাকা আদায়, নতুন ব্যবসা বা ভবন নির্মাণ শুরু করলেই চাঁদার দাবি—এগুলো যেন এখন ওপেন সিক্রেট।

এই চাঁদাবাজির সরাসরি প্রভাব পড়ছে সাধারণ ভোক্তাদের ওপর। বিক্রেতা যখন বাধ্য হয়ে চাঁদার টাকা জোগাড় করতে পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেন, তখন বাজারে আগুন লাগে। খেটে খাওয়া মানুষগুলো কুলিয়ে উঠতে পারে না। একটি দেশে ব্যবসা-বাণিজ্য টিকিয়ে রাখতে হলে যেখানে সহযোগিতাপূর্ণ পরিবেশ দরকার, সেখানে এই চাঁদাবাজির সংস্কৃতি পুরো অর্থনীতিকেই ধীরে ধীরে কুরে কুরে খাচ্ছে।

দখলবাজি শব্দটা শুনলেই কেমন যেন গা শিউরে ওঠে, তাই না? খমতার জোরে একজনের সম্পত্তি, জমি-জমা অন্যজন জবরদখল করে নিচ্ছে—এমন খবর এখন আর বিরল কিছু নয়। অনেক ক্ষেত্রে সরকারি জমি, খেলার মাঠ, নদী বা খাস জমিও প্রভাবশালীদের কবজায় চলে যাচ্ছে। রাতের আঁধারে হাসপাতাল গুড়িয়ে দেয়া হচ্ছে। সাধারণ মানুষ নিজেদের অধিকার নিয়ে প্রতিবাদ করতে গেলে উল্টো হামলা মামলার শিকার হচ্ছে কিংবা জীবন সংশয়ের মুখে পড়ছে।

শুধু জমিজমা নয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বাস টার্মিনাল, পশুর হাট—সব জায়গায় একশ্রেণির ধান্দাবাজ নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করতে ব্যস্ত। কে কার চেয়ে বেশি শক্তিশালী, তা প্রমাণ করার এই অসুস্থ প্রতিযোগিতা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে দুর্বিষহ করে তুলছে। আর এটা অস্বাভাবিক নয়। আইনের শাসন দুর্বল থাকলে এভাবেই দুর্বৃত্তরা মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে, আর সাধারণ জনগণ কোণঠাসা হয়ে পড়ে। বিভিন্ন পর্যায়ে যারা এই চাঁদাবাজির সাথে জড়িত, তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা এখন সময়ের দাবি।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির মূল শেকড়টা আসলে গাঁথা রয়েছে দুর্নীতির গভীরে। আইনের ফাঁকফোকর গলিয়ে অপরাধীরা যখন বারবার পার পেয়ে যায়, প্রকাশ্য দিবালোকে পাথরচাপা দিয়ে মানুষ মেরে যখন আদালত থেকেই জামিন পাওয়া যায়, তখন অপরাধপ্রবণতা আরও বেড়ে যাওয়াটা কি খুব বেশি অস্বাভাবিক? সাধারণ মানুষ যখন দেখে অপরাধ করেও কেউ পার পেয়ে যাচ্ছে, তখন আইনের প্রতি আস্থা কমতে শুরু করে।

প্রশাসনিক ও বিচারিক প্রক্রিয়ায় যদি স্বচ্ছতা না থাকে, তবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি রাতারাতি ভালো করা সম্ভব নয়। দুর্নীতি এমন এক ঘুণপোকা, যা পুরো রাষ্ট্রযন্ত্রকে ভেতর থেকে ফাঁপা করে দেয়। যখন রক্ষকই অনেক সময় ভক্ষকের ভূমিকা নেয়, তখন সাধারণ মানুষ কার কাছে বিচার চাইবে? এই আস্থার সংকট দূর করাটাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

যদি কোনো অপরাধী টাকা দিয়ে বা রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে পার পেয়ে যায়, তবে আইনের প্রতি মানুষের শ্রদ্ধা কমে যায়। দুর্নীতি শুধু আর্থিক নয়, এটি আমাদের নৈতিক মেরুদণ্ডকেও ভেঙে দিচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে যদি দুর্নীতিমুক্ত রাখা না যায়, তবে পরিস্থিতির উন্নতি আশা করা কঠিন।

জনমনে প্রশ্ন, সরকার কি পরিস্থিতি সম্পর্কে উদাসীন? যখন একের পর এক অপরাধ ঘটে চলেছে, তখন সরকারের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ না নেওয়া বা লোক দেখানো ব্যবস্থা নেওয়া কেবল সমস্যার সমাধান করে না। সরকারের দায়িত্ব হলো জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। যদি সরকার এই মৌলিক দায়িত্ব পালনে অনাগ্রহ দেখায় বা উদাসীন থাকে, তবে তার দায়ভার তাদেরই নিতে হয়। রাজনৈতিক বিবেচনায় অপরাধীদের ছাড় দেওয়ার প্রবণতা বা অপরাধের সাথে জড়িতদের দলের ছত্রছায়ায় রাখা—এসবই পরিস্থিতির অবনতির জন্য দায়ী। সরকারের সদিচ্ছা ছাড়া পুলিশ বা অন্যান্য সংস্থা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে না। এমন পরিস্থিতিতে দেশের প্রচলিত আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে কোনো প্রতিমন্ত্রী মাদক বিরোধী অভিযানের নামে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়লেই সরকারের সদিচ্ছা প্রমাণিত হয় না, কার্যতঃ তা বালখিল্যতার প্রকাশ।

এই হতাশাজনক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজন কঠোর প্রশাসনিক সদিচ্ছা। দল-মত নির্বিশেষে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে হবে। রাজনৈতিক পরিচয়ে কাউকে ছাড় দেওয়ার সংস্কৃতি চিরতরে বন্ধ করতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও বেশি সক্রিয়, জবাবদিহিমূলক এবং জনবান্ধব হতে হবে। সাধারণ মানুষ যেন থানায় গিয়ে নির্ভয়ে, নিঃসঙ্কোচে সহজেই অভিযোগ করতে পারে এবং পুলিশ যেন তাদের কথা গুরুত্ব সহকারে শোনে, সেই পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। অপরাধ দমনে যেন পুলিশ সাহসী ভূমিকা পালন করতে পারে তা নিশ্চিত করতে বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি সমাজে নৈতিক শিক্ষার প্রসার এবং তরুণ প্রজন্মকে সঠিক পথে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়াও জরুরি। বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে পারলে অপরাধের হার কমে যাবে নিশ্চিত।

একটি দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি তার উন্নয়নের আয়না। মানুষ যদি শান্তিতে বসবাস করতে না পারে, তবে উন্নতির সব সূচকই অর্থহীন হয়ে পড়ে। আমরা সবাই এমন একটি দেশ চাই যেখানে নির্ভয়ে চলাফেরা করা যাবে, যেখানে নিজের ব্যবসা বা চাকরি নিয়ে শান্তিতে ঘুমানো যাবে। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির এই অবনতি রোধে নীতিনির্ধারক থেকে শুরু করে সাধারণ নাগরিক—সবাইকে নিজ নিজ জায়গা থেকে সোচ্চার হতে হবে। অপরাধের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। আশা করি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করবেন এবং আমরা আমাদের চিরচেনা সেই নিরাপদ বাংলাদেশ ফিরে পাব, যেখানে রাতের আঁধারেও প্রতিটি মানুষ নির্ভয়ে ও নিরাপদে ঘরে ফিরতে পারবে।

লেখক: সম্পাদক, আজাদীর ডাক

Related Posts

জামায়াত

গোপনে সহায়তা নিলেও প্রকাশ্যে দেয়া জামায়াতের সেলাই মেশিন ফেরত দিলেন বিএনপি নেতার স্ত্রী

October 18, 2026
বাংলাদেশ

প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের অস্ত্র প্রদর্শন ও কিছু আইনি প্রশ্ন

October 18, 2026
বাংলাদেশ

পথ হারাচ্ছে সরকার

October 18, 2026

সপ্তাহের সেরা

  • হানিট্র্যাপে ফেলেছিলেন মেজর জেনারেলসহ ৮ কর্মকর্তাকে: কে এই গুলশান আরা?

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • নিজের স্ত্রীর জীবনের নিরাপত্তার আশঙ্কায় প্রকাশ্যে মির্জা আব্বাস-পুত্র

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • হাসিনা মামলায় শেষ সাক্ষীর জবানবন্দি কাল, রায় কবে?

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: বিএনপি প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমিনকে শোকজ

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • ‘র’ সংশ্লিষ্টতায় গ্রেফতার সাবেক দুই সেনা কর্মকর্তা, সেনাপ্রধানের সম্পৃক্ততা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    0 shares
    Share 0 Tweet 0

সর্বশেষ খবর

গোপনে সহায়তা নিলেও প্রকাশ্যে দেয়া জামায়াতের সেলাই মেশিন ফেরত দিলেন বিএনপি নেতার স্ত্রী

October 18, 2026

প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের অস্ত্র প্রদর্শন ও কিছু আইনি প্রশ্ন

October 18, 2026

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি: কোন পথে আমরা?

October 18, 2026
  • হোম
  • গোপনীয়তা নীতি
  • শর্তাবলি ও নীতিমালা
  • যোগাযোগ
ইমেইল: info@azadirdak.com

স্বত্ব © ২০২৪-২০২৫ আজাদির ডাক | সম্পাদক: মঈনুল ইসলাম খান | ৩, রাজউক এভিনিউ, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০

No Result
View All Result
  • হোম
  • বাংলাদেশ
  • রাজনীতি
    • বিএনপি
    • আওয়ামী লীগ
    • জামায়াত
    • এনসিপি
    • অন্যান্য
  • আন্তর্জাতিক
  • বিশ্লেষণ
  • মতামত
  • ইসলাম
  • খেলা
  • ফিচার
  • ফটো
  • ভিডিও
  • বিবিধ
    • শিক্ষাঙ্গণ

স্বত্ব © ২০২৪-২০২৫ আজাদির ডাক | সম্পাদক: মঈনুল ইসলাম খান | ৩, রাজউক এভিনিউ, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০

Exit mobile version