জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় হুইপ ও সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, সরকার বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের উন্নয়নমূলক কাজ দিতে চায় না। এ কারণে বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের নানা কারিগরি সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। তবে তারা চেষ্টা করে কাজ আদায় করে নেওয়ার উদ্যোগ নিচ্ছেন।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকালে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার গজাইল শরাফতিয়া আলিম মাদরাসার নতুন ভবন উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
রফিকুল ইসলাম খান বলেন, “যারা আমাকে ভোট দিয়েছেন, আমি তাদেরও এমপি। যারা আমাকে ভোট দেননি, আমি তাদেরও এমপি।” তিনি বলেন, বিরোধী দলের সংসদ সদস্য হওয়ায় কিছু কারিগরি অসুবিধা রয়েছে। সরকার বিরোধী দলকে কাজ দিতে চায় না। তাই তারা টানাহেঁচড়া করে কাজ আনার চেষ্টা করছেন।
উন্নয়নকাজের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার বিষয়ে তিনি বলেন, যত কাজ আসবে, প্রতিটি কাজের খরচের পুঙ্খানুপুঙ্খ হিসাব জনসভায় ঘোষণা দিয়ে প্রকাশ করা হবে। তাঁর মতে, শুধু ভবন নির্মাণ ও উদ্বোধন করলেই হবে না; শিক্ষার মানও বাড়াতে হবে। শিক্ষার্থী ও শিক্ষক না থাকলে কিংবা পড়াশোনার মান ঠিক না থাকলে ১০ তলা ভবন নির্মাণ করেও কোনো লাভ হবে না।
একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে মানসম্মত করে গড়ে তুলতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থী উভয়কেই দায়িত্বশীল হতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনা করতে হবে এবং শৃঙ্খলা মেনে চলতে হবে। একইভাবে শিক্ষকদেরও পড়াশোনা ও শৃঙ্খলার বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে।
শিক্ষকদের সময়ানুবর্তিতার ওপর গুরুত্বারোপ করে বিরোধীদলীয় হুইপ বলেন, ক্লাস সকাল ৯টা বা ১০টায় শুরু হলেও কোনো শিক্ষক যদি কাঁধে ছাতা ও বগলে পাঞ্জাবি নিয়ে সকাল ১১টায় প্রতিষ্ঠানে আসেন, তাহলে সেই প্রতিষ্ঠান কখনো উন্নত হতে পারবে না।
তিনি শিক্ষকদের নিয়ম-শৃঙ্খলার ক্ষেত্রে কোনো আপস না করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, একজন ভালো শিক্ষক তিনিই, যিনি নিজেও নিয়মিত পড়াশোনা করেন।







