বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ারকে জড়িয়ে সম্প্রতি ভারতীয় গোয়েন্দা প্রধানের সঙ্গে গোপন বৈঠকের যে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রচার করা হয়েছে, তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে দলটি। জামায়াত নেতারা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, অসৎ রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল এবং হীন স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য একটি কুচক্রী মহল এই ধরনের ডাহা মিথ্যা ও বানোয়াট প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে।
সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কিছু অনলাইন পোর্টালে দাবি করা হয় যে, জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের সঙ্গে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানের কোনো গোপন বৈঠক হয়েছে। এই অসত্য তথ্যটি বিভিন্ন জায়গায় প্রচার করেন রাশেদ খানসহ কিছু রাজনৈতিক ব্যক্তি বা মহল। মূলত কোনো ধরনের সত্যতা ছাড়াই এই মিথ্যা দাবি বা প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা চালানো হয়।
এই ঘটনার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মে দেওয়া বক্তব্যে জামায়াত সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার অত্যন্ত কড়া ভাষায় এর প্রতিবাদ জানান। তিনি বলেন, “বাজারের কিছু পচা মাল, ডাস্ট প্রোডাক্টস, বিষাক্ত ক্ষতিকর ভেজাল দ্রব্য যেমন বিজ্ঞাপন আর প্রচারে বেঁচে থাকতে চায়; তেমনি কিছু তেলবাজ, চাটুকার, সমাজ প্রত্যাখ্যাত ঘৃণিত ব্যক্তিও মিথ্যাকে পুঁজি করে মিডিয়া এবং খবরের নষ্ট উপজীব্য হয়ে নিজের দুর্গন্ধ আড়াল করতে চায়। অবশেষে ব্যর্থ হয়ে স্বীয় কদাকার অস্তিত্ব বিলীন করে একসময় হারিয়ে যায়।”
জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে যে, ভারত বা অন্য কোনো দেশের কোনো গোয়েন্দা কর্মকর্তার সঙ্গে এমন কোনো বৈঠকের বিন্দুমাত্র সত্যতা নেই। সম্পূর্ণ কাল্পনিক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই মনগড়া কাহিনী তৈরি করা হয়েছে। দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করতে এবং জনগণের মাঝে বিভ্রান্তি ছড়াতেই এ ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
দলীয় সূত্রে আরও জানানো হয়েছে, যারা ভিত্তিহীন ও অসত্য তথ্য প্রচার করে রাজনৈতিক ফায়দা লোটার অপচেষ্টা করছে, তাদের বিরুদ্ধে তীব্র আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। জামায়াত নেতাকর্মী ও দেশবাসীকে এ ধরনের মিথ্যা গুজবে কান না দেওয়ার জন্য বিশেষভাবে আহ্বান জানানো হয়েছে।
