নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ ইউসুফ জানিয়েছেন, চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি), লালদিয়ার চর টার্মিনাল এবং ঢাকার কেরানীগঞ্জের পানগাঁও ইনল্যান্ড কনটেইনার টার্মিনাল বিদেশি অপারেটরদের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া ডিসেম্বরের মধ্যেই সম্পন্ন করা হবে।
তিনি বলেন, দেশের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে এবং পণ্য পরিবহন ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
শনিবার এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সিনিয়র সচিব বলেন, “বন্দর ব্যবস্থাপনায় আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা সম্পন্ন অপারেটর যুক্ত হলে কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের গতি বাড়বে, জাহাজের অবস্থানকাল কমবে এবং সামগ্রিকভাবে বন্দর ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা বাড়বে। আমরা ডিসেম্বরের মধ্যে এ তিনটি টার্মিনাল বিদেশি অপারেটরের হাতে হস্তান্তরের লক্ষ্য নিয়েই কাজ করছি।”
বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দর দেশের প্রায় ৯০ শতাংশ আমদানি-রপ্তানি পণ্য পরিবহন সামলায়। তবে ক্রমবর্ধমান বাণিজ্যচাহিদা এবং জাহাজ আগমনের চাপ সামলাতে বন্দরটিতে নতুন অবকাঠামো উন্নয়ন ও অপারেশনাল সক্ষমতা বৃদ্ধির কাজ চলছে।
বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিদেশি অপারেটর নিয়োগের মাধ্যমে ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা নিশ্চিত করা গেলে পণ্য খালাসে সময় ও খরচ উভয়ই কমে আসবে। এতে বাংলাদেশ বৈশ্বিক লজিস্টিক প্রতিযোগিতায় আরও এগিয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
