ঘূর্ণিঝড় ‘মোন্থা’ এখন উপকূলের একেবারে কাছাকাছি অবস্থান করছে। এর প্রভাবে আজ মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) দুপুর থেকে বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি)।
বিডব্লিউওটির ফেসবুক পোস্টে বলা হয়েছে, দুপুরের পর থেকেই দক্ষিণাঞ্চলে বৃষ্টি শুরু হতে পারে, আর বুধবার থেকে তা ছড়িয়ে পড়বে সারাদেশে। যদিও ঘূর্ণিঝড়টি সরাসরি বাংলাদেশে আঘাত হানার আশঙ্কা নেই, তবে এর প্রভাবে সারা দেশে বৃষ্টি বাড়বে।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ বুলেটিনে বলা হয়, পশ্চিম-মধ্য ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘মোন্থা’ উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে। সোমবার মধ্যরাতে এটি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১,৩০৫ কিলোমিটার, কক্সবাজার থেকে ১,২৬০ কিলোমিটার, মোংলা থেকে ১,১৬৫ কিলোমিটার এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১,১৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল।
ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার, যা দমকা বা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। কেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকায় সাগর খুবই উত্তাল রয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর চট্টগ্রাম, মোংলা, পায়রা ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ২ নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে। পাশাপাশি উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচলের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘূর্ণিঝড়টি আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যা বা রাত নাগাদ ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূল অতিক্রম করতে পারে, তবে এর প্রভাব বাংলাদেশেও বৃষ্টিপাত ও ঝোড়ো হাওয়ার আকারে অনুভূত হবে।







