দেশের বিভিন্ন জেলায় ভূমিকম্পে হতাহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯–এ। বংশাল, নারায়ণগঞ্জ ও নরসিংদীতে এসব প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। একই সঙ্গে দুই শতাধিক মানুষ আহত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
রাজধানীর বংশালের কসাইটুলী এলাকায় একটি পাঁচতলা ভবনের রেলিং ভেঙে নিচে পড়ে তিন পথচারীর মৃত্যু হয়। নিহত হাজি আব্দুল রহিম ও তার ছেলে মেহরাব হোসেন রিমন ঘটনাস্থলেই মারা যান। একই ঘটনায় বাজার করতে যাওয়া সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী রাফিও নিহত হন। তার মা নুসরাত গুরুতর আহত এবং চিকিৎসাধীন।
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ভূকম্পনজনিত দেয়াল ধসে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন তার মেয়ে। একই উপজেলার একটি টিনসেড ঘরের দেয়াল ধসে মারা গেছে এক বছরের শিশু ফাতেমা। শিশুটির মা কুলসুম বেগম ও প্রতিবেশী জেসমিন বেগমসহ আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন।
নরসিংদী সদর উপজেলার গাবতলী এলাকায় বাড়ির সানশেড ভেঙে দেলোয়ার হোসেন উজ্জ্বল ও তার শিশু সন্তান ওমরের মৃত্যু হয়। ভূমিকম্প শুরু হলে সন্তানদের নিয়ে ঘর থেকে বের হওয়ার সময় সানশেড ভেঙে তাদের ওপর পড়ে। পলাশ উপজেলার মালিতা গ্রামে মাটির ঘরের দেয়াল ধসে কাজেম আলী ভূঁইয়া এবং কাজীরচর নয়াপাড়ায় নাসির উদ্দিন প্রাণ হারান।
ভূমিকম্পে প্রাণহানির ঘটনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। শোকবার্তায় তিনি নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে উদ্ধার কার্যক্রম জোরদারের নির্দেশ দেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে।







