হরমুজ প্রণালীতে জ্বালানি চোরাচালানে জড়িত ইসোয়াতিনি-পতাকাবাহী একটি বিদেশি জাহাজ আটক করেছে ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবহনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই প্রণালী এলাকায় অবৈধ জ্বালানি পরিবহনের বিরুদ্ধে ইরানি বাহিনী নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে থাকে।
সৌদি আরবভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-আরাবিয়া জানায়, স্থানীয় আইআরজিসি কমান্ডারের বরাতে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন নিশ্চিত করেছে যে, ইসোয়াতিনির পতাকার আড়ালে জাহাজটি প্রায় ৩ লাখ ৫০ হাজার লিটার জ্বালানি চোরাচালান করছিল। আটক করা জাহাজটি বুশেহরের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
কমান্ডার আরও জানান, জাহাজটির ১৩ জন ক্রু সদস্য—যারা প্রতিবেশী দেশ ও ভারতের নাগরিক—তাদেরকেও আটক করা হয়েছে।
চলতি মাসের শুরুর দিকে ইরানের সামরিক বাহিনী মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের পতাকাবাহী একটি তেল ট্যাঙ্কার আটক করেছিল। পরে জাহাজ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান জানিয়েছিল, ইরান ট্যাঙ্কারটি ছেড়ে দিয়েছে এবং ক্রুদের সবাই নিরাপদে রয়েছে। ‘তালারা’ নামে ওই জাহাজটি হঠাৎ দিক পরিবর্তন করে ইরানের জলসীমায় প্রবেশ করলে সেটিকে আটক করা হয়।
গত বছরও আইআরজিসি একটি কন্টেইনার জাহাজ আটক করে দাবি করেছিল যে, এর সঙ্গে ইসরাইলের সম্পৃক্ততা রয়েছে। ঘটনাটি ঘটে সিরিয়ার ইরানি কনস্যুলেটে হামলার পর, যার দায় ইসরাইলের ওপর দেওয়া হয়।
তবে ইরান জানিয়েছে, তালারা আটক করা কোনো দেশের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা ছিল না; এটি সম্পূর্ণভাবে একটি অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তামূলক পদক্ষেপ।
আপনি চাইলে এটি আরও সংক্ষিপ্ত, আরও সাংবাদিকতাধর্মী, অথবা ভিন্ন ভঙ্গিমায় লিখে দিতে পারি।







