সৌদি আরব ২০২৬ সালের হজ মৌসুমের (১৪৪৭ হিজরি) জন্য আজ রোববার থেকে হজ ভিসা ইস্যু কার্যক্রম শুরু করেছে। সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হাজিদের আগমনের আগেই সেবার প্রস্তুতি জোরদার এবং হজ ব্যবস্থাপনাকে আরও সহজ করতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, বিদেশি হজযাত্রীদের জন্য পবিত্র স্থানগুলোতে প্রয়োজনীয় সব সেবা ও চুক্তি ইতোমধ্যে চূড়ান্ত করা হয়েছে। ‘নুসুক’ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে মক্কায় আবাসন সংক্রান্ত সব চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। এ পর্যন্ত প্রায় ৭ লাখ ৫০ হাজার হজযাত্রী নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন। এর মধ্যে ৩০ হাজার হজযাত্রী নিজ নিজ দেশ থেকে সরাসরি হজ প্যাকেজ বুক করেছেন।
আন্তর্জাতিক হজযাত্রীদের জন্য পবিত্র স্থানগুলোতে ৪৮৫টি ক্যাম্প বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ৭৩টি হজ অফিস তাদের প্রাথমিক প্রস্তুতি শেষ করেছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
বাংলাদেশ থেকে ২০২৬ সালের হজে অংশগ্রহণের জন্য নিবন্ধনকারী সরকারি ও বেসরকারি সব হজযাত্রীকে সরকারি হাসপাতাল থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করে নির্ধারিত টিকাকেন্দ্র থেকে টিকা গ্রহণ শেষে ফিটনেস সনদ সংগ্রহ করতে হবে। সৌদি সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, ফিটনেস সনদসহ আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০ মার্চের মধ্যে হজ ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে। ধর্ম মন্ত্রণালয় স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, ফিটনেস সনদ ছাড়া কোনো হজযাত্রীকে হজে অংশগ্রহণের অনুমতি দেওয়া হবে না।
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হতে পারে আগামী ২৬ মে। হজযাত্রী পরিবহনের জন্য প্রথম হজ ফ্লাইট চলাচল শুরু হবে ১৮ এপ্রিল থেকে।
সূত্র: গালফ নিউজ







