দুই দিন বিরতির পর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের মুলতবি অধিবেশন আবার শুরু হয়েছে। রোববার বেলা ১১টার পর অধিবেশন শুরু হয়।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার নতুন এই সংসদের যাত্রা শুরু হয়। সেদিন রাষ্ট্রপতির ভাষণ শেষে স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ অধিবেশন মুলতবি ঘোষণা করেছিলেন।
জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের প্রকাশিত দিনের কার্যসূচিতে রয়েছে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রশ্নোত্তর পর্ব। এর মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া জরুরি জন-গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণ (বিধি–৭১) সংক্রান্ত নোটিশ নিষ্পত্তি, রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাব এবং এ প্রস্তাবের ওপর আলোচনা কার্যসূচিতে রাখা হয়েছে।
এদিকে জাতীয় সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির প্রথম বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে। সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত প্রতিদিন বিকাল ৩টায় অধিবেশন বসবে। শনিবার সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বৈঠকে অধিবেশনের কার্যক্রম সম্পন্ন করতে সময় বণ্টন ও অধিবেশনের স্থায়িত্বকাল নিয়ে আলোচনা হয়। রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর মোট ৫০ ঘণ্টা আলোচনা করার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।
এই অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর জন্য আটটি এবং অন্যান্য মন্ত্রীর জন্য ৪৬০টি প্রশ্নসহ মোট ৪৬৮টি প্রশ্ন জমা পড়েছে। এছাড়া বিধি–৭১ এর আওতায় মনোযোগ আকর্ষণের ২৭টি নোটিশ এবং বিধি–১৩১ অনুযায়ী সিদ্ধান্ত প্রস্তাবের ৯৭টি নোটিশ পাওয়া গেছে।
এর আগে প্রথম অধিবেশনের শুরুতে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান স্পিকার হিসেবে মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের নাম প্রস্তাব করলে তা কণ্ঠভোটে গৃহীত হয়।
একইভাবে ডেপুটি স্পিকার হিসেবে ব্যারিস্টার কায়সার কামালের নাম অনুমোদিত হয়। নির্বাচনের পর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নবনির্বাচিত স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে শপথ বাক্য পাঠ করান।







