ইজরায়েলের অভ্যন্তরে ৫৪তম দফায় ভয়াবহ প্রতিশোধমূলক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। রোববার (১৫ মার্চ) ‘অপারেশন ট্রু প্রমিস-৪’-এর অংশ হিসেবে এই হামলা চালানো হয়। এতে প্রথমবারের মতো ব্যবহৃত হয়েছে ইরানের কৌশলগত শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ‘সেজিল’।
আইআরজিসি’র জনসংযোগ শাখা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, রোববারের এই নতুন দফার হামলায় দুই টন ওজনের বিধ্বংসী ওয়ারহেড সমৃদ্ধ ‘খোররামশাহর’ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়া হামলায় অংশ নিয়েছে খাইবার-শেখান (খাইবার-ধ্বংসকারী), কদর এবং ইমাদ ক্ষেপণাস্ত্র। তবে সবচেয়ে বড় চমক ছিল কঠিন জ্বালানিচালিত ‘সেজিল’ ক্ষেপণাস্ত্রের ব্যবহার, যা সরাসরি ইজরায়েলের আকাশপথের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণকারী সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী কেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্য করে আঘাত হেনেছে।
ইরানি বাহিনীর দাবি, অধিকৃত ভূখণ্ডের একেবারে হৃদপিণ্ডে অবস্থিত ইজরায়েলি সামরিক ও প্রতিরক্ষা শিল্পের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো এবং সেনাসমাবেশ লক্ষ্য করে এই হামলা সফলভাবে চালানো হয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সৈয়দ আলী খামেনি এবং বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তাকে হত্যার পর মধ্যপ্রাচ্যে যে ভয়াবহ যুদ্ধ শুরু হয়েছে, এটি তারই ধারাবাহিকতা।
ইরান এক বিবৃতিতে স্পষ্ট করেছে যে, শত্রু পক্ষের আগ্রাসন বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত এই সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকবে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের অতর্কিত বিমান হামলায় ইরানের অসংখ্য সামরিক ও বেসামরিক নাগরিক হতাহত হওয়ার পর থেকেই তেহরান পাল্টা আঘাত শুরু করে। ইরানের সশস্ত্র বাহিনী বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটি এবং ইজরায়েলি অবস্থানে নিয়মিত ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।







