ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলী লারিজানি ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন বলে আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে তেহরান। গত কয়েক দিনের জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে ইরান এই শোকাবহ সংবাদটি প্রকাশ করল।
হামলার সময় আলী লারিজানি তাঁর মেয়ের বাসভবনে অবস্থান করছিলেন। ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান থেকে চালানো এই ভয়াবহ হামলায় লারিজানির পাশাপাশি তাঁর ছেলেও প্রাণ হারিয়েছেন। এছাড়াও ঘটনাস্থলে থাকা তাঁর বেশ কয়েকজন দেহরক্ষী নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
ইসরায়েলি বিমান হামলায় লক্ষ্যবস্তু হওয়া ভবনটির পরবর্তী যে চিত্র সামনে এসেছে, তাতে দেখা যায় সেটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে বহুতল ভবনটি আক্ষরিক অর্থেই মাটির সাথে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে।
আলী লারিজানি ছিলেন ইরানের একজন অত্যন্ত প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং নিরাপত্তা কৌশলের প্রধান কারিগর। তাঁর এই আকস্মিক মৃত্যুতে ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বে বড় ধরনের শূন্যতা তৈরি হয়েছে এবং এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
তেহরানের পক্ষ থেকে লারিজানি হত্যার কঠোর প্রতিশোধ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনি এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং দেশজুড়ে শোক পালনের নির্দেশ দিয়েছেন।







