ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলী লারিজানিকে হত্যার পর ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিশোধের ঘোষণা দিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী। ইরানের সেনাপ্রধান আমির হাতামি এই হামলাকে ‘চূড়ান্ত ও দুঃখজনক’ পরিণতির দিকে নিয়ে যাবে বলে কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন।
এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে আমির হাতামি জানান, লারিজানিকে হত্যার ঘটনায় ইরানের প্রতিক্রিয়া হবে অত্যন্ত কঠোর এবং তা ইসরায়েলের জন্য অনুশোচনাযোগ্য হবে। তেহরান বর্তমানে এই পাল্টা হামলার কৌশলগত প্রস্তুতি গ্রহণ করছে বলেও ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।
এদিকে, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) বাসিজ বাহিনীর কমান্ডার গোলামরেজা সোলাইমানির মৃত্যুর খবরও নিশ্চিত করেছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির মৃত্যুর পর, এই যুদ্ধে এটিই এযাবৎকালের সবচেয়ে উচ্চপর্যায়ের গুপ্তহত্যা বলে বিবেচিত হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, আলী খামেনি ও আলী লারিজানির মতো শীর্ষ নেতাদের হারানোর পর ইরান এখন তাদের সামরিক শক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত এখন একটি পূর্ণাঙ্গ ও বিধ্বংসী যুদ্ধের দিকে ধাবিত হচ্ছে বলে সামরিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন।
পারিবারিক ও ব্যক্তিগত শোক কাটিয়ে ইরান এখন জাতীয় পর্যায়ে শোক পালন করছে। একই সঙ্গে দেশটির ক্ষেপণাস্ত্র ইউনিটগুলোকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে যাতে যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের অভিযান পরিচালনা করা যায়।







