ঈদের লম্বা ছুটিতে ব্যাংক বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েছেন দেশের পেট্রোল পাম্প মালিকরা। ব্যাংক বন্ধ থাকার কারণে সময়মতো পে-অর্ডার করতে না পারায় ডিপো থেকে নতুন করে জ্বালানি তেল উত্তোলন করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে সারা দেশে পাম্পগুলোতে তেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলারস, ডিস্ট্রিবিউটর্স, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক সাজ্জাদুল কবির জানান, ডিপো থেকে তেল তোলার প্রধান শর্ত হলো পে-অর্ডার জমা দেওয়া। কিন্তু ঈদের ছুটির কারণে ব্যাংক সেবা বন্ধ থাকায় পাম্প মালিকরা এই আর্থিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারছেন না। যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে তেল সরবরাহে।
পাম্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গত ১৫ মার্চ জ্বালানি তেলের রেশনিং পদ্ধতি তুলে নেওয়ার পরপরই ঈদের ছুটি শুরু হয়ে যায়। একদিকে রেশনিং পরবর্তী বাড়তি চাহিদা, অন্যদিকে ব্যাংক বন্ধ থাকায় নতুন তেল সংগ্রহের পথ রুদ্ধ হওয়া—এই দুই মিলিয়ে পরিস্থিতি জটিল আকার ধারণ করেছে। এর ফলে অনেক পাম্পে তেলের মজুদ ফুরিয়ে গেছে।
পরিস্থিতি এতটাই বেগতিক যে, বাংলাদেশ পেট্রল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন তাদের ফেসবুক পেজে এক সতর্কবার্তায় জানিয়েছে, পর্যাপ্ত সরবরাহ না পেলে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে যেকোনো সময় সারা দেশের ফিলিং স্টেশনগুলো বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সরবরাহ না থাকায় ক্রেতাদের সঙ্গে পাম্প কর্মীদের বাকবিতণ্ডা ও বিশৃঙ্খলার আশঙ্কাও বাড়ছে।
তবে আশার কথা হলো, আগামীকাল মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) থেকে ব্যাংক খুলছে। অ্যাসোসিয়েশন আশা করছে, ব্যাংক খোলার পর দ্রুত পে-অর্ডার করে ডিপো থেকে তেল উত্তোলন শুরু হবে এবং বিকেলের পর থেকেই পাম্পগুলোতে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক হতে শুরু করবে।







